
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধের নিশ্চয়তা, দক্ষ ফার্মাসিস্ট এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অডিটোরিয়ামে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে ফার্মেসি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে উল্লেখ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফার্মেসি বিভাগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক।’
দেশে তৈরি ওষুধ ১৬০টির বেশি দেশে রফতানি হচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধের চাহিদা ও সুনাম রয়েছে।’
এই অগ্রযাত্রাকে আরো এগিয়ে নিতে ফার্মাসিস্টদের গবেষণা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চিকিৎসক ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গণমাধ্যম ও চিকিৎসকরা একে অপরের প্রতিপক্ষ নন। স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা গণমাধ্যমে উঠে এলে তা সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে সেবার মান আরো উন্নত করা সম্ভব।’
তিনি করোনা মহামারীসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সঙ্কটে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অবদান ও আত্মত্যাগের কথাও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
ইউএপি’র ভারপ্রাপ্ত ভিসি অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের স্বীকৃতি ও শিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: সেলিম রেজা ও ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে এম মোজিবুল হক।
সূত্র : বাসস








