ভঙ্গুর অর্থনীতি স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র : ড. তিতুমীর
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে উদ্ধার করে স্থিতিশীলতা রক্ষায় সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ।

Advertisement

তিনি বলেছেন, চলমান আলোচনা ও দর-কষাকষির মাধ্যমে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের বিষয়ে অগ্রগতি হবে। এতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, সংস্কার বাস্তবায়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা চলছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সঙ্কট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির পেছনে আগের সরকারের সময় থেকে চলে আসা সমস্যাগুলোকে বিবেচনায় নিচ্ছে। একইসাথে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাতের প্রভাবও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়েছে বলে তারা মনে করছে।

প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তব ফলের অপেক্ষা
তিতুমীর জানান, সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কৌশল নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমর্থন ও আস্থার কথা জানিতেছে। তবে অর্থনীতির বাস্তব পরিস্থিতি বদলেছে কি না, তা নির্ধারিত হবে কয়েকটি পরিমাপযোগ্য সূচকে- রাজস্ব আদায় কতটা বাড়ল, খেলাপি ঋণ কতটা কমল, মূল্যস্ফীতি কতটা নামল, ব্যাংকের আমানতকারীরা কতটা নিরাপদ হলেন এবং সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছে কতটা পৌঁছাল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে তাই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ: একদিকে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত মজবুত করা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান রক্ষা করা। সংস্কারের সুফল যদি রাজস্ব, ব্যাংকিং ও সামাজিক সুরক্ষার পরিসংখ্যানে প্রতিফলিত হয়, তবেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি বাস্তব পরিবর্তনে রূপ নেবে।

তিনটি বিষয়ে স্পষ্ট ঐকমত্য আলোচনায়
ড. তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে আলোচনায় তিনটি বিষয়ে স্পষ্ট ঐকমত্য পাওয়া গেছে। প্রথমত, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে এবং সেই পরিস্থিতি আড়াল না করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে। দ্বিতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের কারণে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন চাপ তৈরি হলেও তা মোকাবিলায় সরকারের নেয়া কৌশলের প্রতি অংশীদারদের আস্থা রয়েছে। তৃতীয়ত, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং দারিদ্র্য কমাতে সরকারের নির্ধারিত কর্মসূচিগুলোকে তারা বাস্তবসম্মত বলে মনে করছে। আমরা সমস্যাগুলো কার্পেটের নিচে না রেখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সাথে মোকাবিলা করছি। আমাদের নিজস্ব কৌশল রয়েছে এবং সেই কৌশলের প্রতি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা তৈরি হয়েছে।

মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় সামাজিক সুরক্ষা
ড. তিতুমীর বলেন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, যা শেষ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কেবল তাৎক্ষণিক সঙ্কট মোকাবিলার বিষয় নয়। এর সাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ও যুক্ত। সরকার এসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কৌশল ও সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে আলোচনায় এসব পরিকল্পনার বাস্তবসম্মত দিকগুলো উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়া। এ জন্য কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন, কিভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে এবং কোন খাতে কতটা অর্থায়ন দরকার, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।

করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীর বলেন, সরকারের সংস্কার কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো করের হার না বাড়িয়ে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগের সরকারের আমলে কর প্রশাসনে পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি ও অলিগার্কিক ব্যবস্থার কারণে রাজস্ব আহরণ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে ছিল।

বর্তমান সরকার কর ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ, হয়রানিমুক্ত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ চলছে। এর ফলে রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। করের হার না বাড়িয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। 
রাজস্ব নীতিনির্ধারণ ও রাজস্ব আহরণের দায়িত্ব পৃথক করার উদ্যোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ নিয়ে গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সরকার নীতিগতভাবে এ সংস্কারে একমত হয়েছে এবং দ্রুত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কৌশল
ব্যাংক খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে ড. তিতুমীর বলেন, এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং ব্যাংকগুলোর আর্থিক বিবরণী শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। অতীতে অনিয়মের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তি পুনর্গঠনে সময়সীমাভিত্তিক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা তাদের অর্থ ফেরত পেতে শুরু করেছেন। আমানতকারীদের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক চাপ কমানোর ক্ষেত্রেও সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংক খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ কমানো এবং আর্থিক বিবরণী পরিষ্কার করার মাধ্যমে খাতটিকে আরো কার্যকর করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

তার মতে, এসব সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকারের নির্ধারিত কৌশল ও সময়সীমার প্রতি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা রয়েছে।

মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও মুদ্রানীতির কার্যকারিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তার মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর পরিবেশ তৈরি করাও জরুরি।

তিনি বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা চালু করা এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ অর্থায়ন প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানো, উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে গতি আনা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে বলে সরকার আশা করছে।

তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা বজায় রাখার পাশাপাশি আর্থিক খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বেসরকারি বিনিয়োগে অর্থের জোগান বাড়াতে নীতিগত সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।

নিজস্ব সংস্কার পরিকল্পনায় সরকারের মালিকানা
উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সংস্কার কর্মসূচির বিশেষত্ব হলো, এগুলো দেশের নিজস্ব প্রয়োজন ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে ঘোষিত ইশতেহারেই কর ব্যবস্থা, ব্যাংক খাত, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সুশাসন নিয়ে সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা চাই, সংস্কারের মালিকানা আমাদের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের হাতেই থাকুক। সংস্কার বাইরে থেকে চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়; দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা নিজেরাই এর কৌশল নির্ধারণ করেছি।

সরকারের পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশল ও সংস্কার পরিকল্পনায় এ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে উল্লেখ করে তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তার মতে, রাজনৈতিক অঙ্গীকার, কাঠামোগত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংস্কার বাস্তবায়নের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগিতা
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সঙ্কট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়তে পারে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের সুরক্ষায় সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এ চাপ সামাল দিতে সহায়তা করবে।

তিনি জানান, জ্বালানি খাতের চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর অর্থায়ন কর্মসূচি রয়েছে। এসব সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থায়ন বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির চাপে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব।

তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা দারিদ্র্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন, বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলা এবং নারীদের আনুষ্ঠানিক কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়ানোর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে অতীতেও বহু মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বর্তমান সরকারও কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষাকে একসাথে এগিয়ে নিতে চায়।