মাদক
কুরিয়ারের গাড়িতে ইয়াবা, চালকসহ গ্রেফতার ৩ সংগৃহীত

কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ডভ্যানে করে ইয়াবার বড় চালান পাচারের অভিযোগে বগুড়ার শাজাহানপুরে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টম্বর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহা: জিললুর রহমান বলেন, সম্প্রতি কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল পরিবহনের আড়ালে মাদকের একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

একপর্যায়ে ঢাকা থেকে রংপুরগামী স্টেডফাস্ট কুরিয়ার লিমিটেডের একটি কাভার্ডভ্যান নয়মাইল এলাকায় পৌঁছালে সেটির গতিরোধ করা হয়। পরে কাভার্ডভ্যানের কেবিন ও সেখানে থাকা ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয়। এ সময় বিশেষ কৌশলে রাখা ১ হাজার ৯৬৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা হয়েছে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান ও তিনটি মোবাইল ফোন। 

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- কাভার্ডভ্যানের চালক ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার রাছেল হাওলাদার (৩৬), হেলপার রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মো: রোকনুজ্জামান (৩৯) এবং কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মকবুল হোসেন (২৫)। অভিযানে ওই কাভার্ডভ্যান থেকে বিশেষ কৌশলে রাখা ১ হাজার ৯৬৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। 

মোহা: জিললুর রহমান আরো বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল পরিবহনের আড়ালে মূলত মাদক পাচার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, এই চালানের সাথে আর কারা জড়িত, তা বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো: আসলাম আলী মন্ডল বলেন, সাধারণ পার্সেল ও মালামাল পরিবহনের আড়ালে মাদক বহনের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চালানের সাথে আরো কেউ জড়িত কি না, কিংবা এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না- তা জানার চেষ্টা চলছে।