
সিলেটে যেন একাই লড়ছেন তাওহীদ হৃদয়। এক প্রান্ত আগলে রেখে অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেলছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিকে দেড়শ ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন ১৯০ রানে। তার ব্যাটেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে চা বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯৬ ওভারে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান। প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রান করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এখন মাত্র ৩৮ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।
দিনের শুরুতে ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। উইকেটে ছিলেন হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটিতে আসে ৫৩ রান। তবে দিনের শুরুতে মুশফিককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জোমেল ওয়ারিক্যান। ৩৪ রান করে শর্ট কাভারে ক্যাচ দেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।
এরপর একে একে ফিরেছেন লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। লিটন করেছেন ৮, মিরাজ ১৬ ও হাসান মাহমুদ ৫ রান। ১৯৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে আবারো বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। তবে এক প্রান্তে অবিচল ছিলেন হৃদয়।
তাইজুল ইসলামকে নিয়ে এরপর শুরু হয় হৃদয়ের প্রতিরোধ। অষ্টম উইকেটে দুজন মিলে গড়েছেন ১১৭ রানের জুটি। টেস্টে এই উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি এটি। এর আগে সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ, ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
তাইজুলের ধৈর্যশীল ইনিংস থামে ২২ রানে। তবে হৃদয়ের লড়াই থামেনি। ১৫০ পেরিয়ে ১৭২ রানে পৌঁছে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও এখন তার। ২৮৯ বলে ১৮ চার ৭ ছক্কায় ১৯০ রানে অপরাজিত থেকে চা বিরতিতে গেছেন তিনি। সাথে ০ রানে অপরাজিত আছেন তাসকিন আহমেদ।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে। তবে হৃদয়ের ব্যাটে ভর করে ব্যবধান কমেছে অনেকটাই। দিনের শেষ সেশনে তার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ইনিংসটাকে আরো বড় করা এবং দলকে যতটা সম্ভব এগিয়ে নেয়া।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








