
টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির অপেক্ষা ফুরাল তাওহীদ হৃদয়ের। সিলেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দলের কঠিন সময়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে দল যখন চাপে, তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটসম্যান।
শনিবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিলেন ২৯ রান নিয়ে। সকালে মুশফিকুর রহিমকে সাথে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ৫৩ রান। এরপর মুশফিক ৩৪ রান করে ফিরলেও থামেননি হৃদয়।
এরপর লিটন দাস (৮), মেহেদী হাসান মিরাজ (১৬) ও হাসান মাহমুদ (১) ফিরে গেলে বাংলাদেশের ইনিংস আরো চাপে পড়ে। তবে অন্য প্রান্তে উইকেট পড়লেও নিজের ব্যাটিংয়ে অবিচল ছিলেন হৃদয়।
তাইজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি। ১০৯ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করার পর সেঞ্চুরির দিকেও এগিয়ে যান আত্মবিশ্বাসের সাথে। শেষ পর্যন্ত রস্টন চেজকে মিডউইকেটে ঠেলে দিয়ে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলেন হৃদয়। হেলমেট খুলে ব্যাটের ওপর রেখে উদযাপন করেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি।
এর আগে ৯৯ রানের ঘরে পৌঁছানোর পথে জেডেন সিলসের একটি বল ফাইন লেগে পাঠিয়েছিলেন হৃদয়। তবে সেটি বাই হিসেবে গণ্য হওয়ায় তার স্কোরে যোগ হয়নি রানটি। পরের ওভারে চেজকে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।
হৃদয়ের সেঞ্চুরির আগে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা ছিলেন মুশফিক। তবে তার বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান লিটন, মিরাজ ও হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান ও রস্টন চেজও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে আমির জাঙ্গুর ১৩৩, কেভিন উইকহ্যামের ৬১ ও জাস্টিন গ্রিভসের ৫১ রানে ভর করে ৩৫৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের হয়ে ৬ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ পান ২টি করে উইকেট।
জবাবে তৃতীয় দিনের খেলা চলাকালে ৭ উইকেটে ২৪৩ রান করেছে বাংলাদেশ। হৃদয় অপরাজিত থেকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন। ২১৫ বলে ১৩৬ রান নিয়ে ব্যাট করছেন তিনি। তার সাথে ব্যাট করছেন তাইজুল ইসলাম (৩)।
প্রথম ইনিংসে এখনো ১১৩ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








