
সুযোগটা হঠাৎই এসেছে অমিত হাসানের সামনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মুমিনুল হকের কনকাশনের কারণে সিলেট টেস্টে একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই ডানহাতি ব্যাটারের।
তবে মুমিনুলের জায়গা পূরণের বাড়তি চাপ নিতে চান না অমিত। সুযোগ পেলে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যেভাবে খেলে আসছেন, সেভাবেই নিজের খেলাটা খেলতে চান তিনি।
প্রথম টেস্টে ফিল্ডিংয়ের সময় মাথায় আঘাত পাওয়ার পর কনকাশন বদলি হিসেবে মাঠ ছাড়েন মুমিনুল। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কনকাশনের কারণে বদলি হলে সাত দিনের মধ্যে আর ম্যাচ খেলার সুযোগ নেই।
ফলে ৫ নভেম্বর সিলেটে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে মুমিনুলকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন অমিত।
এর আগে দুই সিরিজের স্কোয়াডে থাকলেও জাতীয় দলের হয়ে মাত্র একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন অমিত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে সাত নম্বরে ব্যাট করে করেছিলেন ২৯ রান।
এরপর বাদ পড়লেও জাতীয় ক্রিকেট লিগে দারুণ পারফরম্যান্সে আবারো নির্বাচকদের নজরে আসেন তিনি। সর্বশেষ রাউন্ডে খুলনার বিপক্ষে খেলেন ডাবল সেঞ্চুরি। এক রাউন্ড পরই জাতীয় দলের স্কোয়াডে ফিরেছেন এই ব্যাটার।
এবার মুমিনুলের জায়গায় খেললে তিন নম্বরে ব্যাট করার সম্ভাবনা রয়েছে অমিতের। তবে কোথায় ব্যাট করবেন, সেটি নিয়ে ভাবছেন না তিনি। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী ভূমিকাই পালন করতে চান।
অমিত বলেন, ‘মুমিনুল ভাই দুর্ভাগ্যজনকভাবে কনকাশনের কারণে দলে নেই। আমার যদি খেলার সুযোগ আসে, তাহলে চেষ্টা করব প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যেভাবে বা যে প্রক্রিয়ায় খেলে আসছি, সেভাবেই খেলার।’
জাতীয় দলে অভিষেকের সময়ের স্নায়ুচাপও এবার আর নেই বলে মনে করছেন অমিত। নিজের ওপর বাড়তি প্রত্যাশার বোঝা না রেখে টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতেই আগ্রহী তিনি।
বলেন, ‘বিষয়টা আসলে এমন নয়। টিম ম্যানেজমেন্ট আমাকে যেভাবে বিবেচনা করবে, আমার মনে হয় সেভাবেই খেলা উচিত।’
জাতীয় দলের সিনিয়রদের কাছ থেকেও শেখার চেষ্টা করছেন অমিত। নিজের ব্যাটিং আরো উন্নত করা থেকে শুরু করে ম্যাচের প্রস্তুতি—সবকিছু নিয়েই অভিজ্ঞদের সাথে কথা বলছেন তিনি।
অমিতের ভাষায়, ‘সাধারণত সিনিয়র সবার সাথে কথা হয়—কিভাবে নিজের খেলাটা আরো উন্নত করতে পারি, কিভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি। সামগ্রিকভাবে সব সময় চেষ্টা করি সিনিয়রদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা নিতে।’
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকে সাত নম্বরে নেমেছিলেন, এবার সুযোগ এলে হয়তো দায়িত্বটা হবে আরো বড়। তবে অমিতের ভাবনায় প্রতিপক্ষ নয়, নিজের প্রক্রিয়াটাই আগে—সুযোগ পেলে সেটিই ধরে রাখতে চান তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








