বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম ও ১২তম আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে আরো দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অভিযোগের ভিত্তিতে দুইজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বোর্ড।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি।

অভিযুক্ত দুইজন হলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক মো: আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং বিপিএলের ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী ও ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক কর্মকর্তা মো: আমিন খান। বিসিবির অ্যান্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে আছে ম্যাচের ফল, গতিপথ বা কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিতে জড়ানোর প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে না জানানো, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেয়া বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ।

তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগের ক্ষেত্রে নিজের ব্যবহৃত প্রধান মোবাইলফোন বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার কাছে জমা না দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছে বোর্ড।

বিসিবির দাবি, ফোনটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও তথ্য যাচাই করা যায়নি।

আমিন খানের বিরুদ্ধেও আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত বা সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা তথ্য গোপন বা নষ্ট করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য দুই অভিযুক্তই ১৪ দিন সময় পাবেন। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী চলমান শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাদের এই সুযোগ দেয়া হয়েছে।

বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তে বাধা দেয়ার বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিট তদন্ত করছে।

এর আগে, একই তদন্তে আরো তিনজনের নাম সামনে আসে এবং তাদেরও সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।