
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে আড়াইহাজারের মার্কাস মসজিদ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
র্যালির পরপরই সংঘবদ্ধ হামলা
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, দিবসের কর্মসূচি হিসেবে আয়োজিত র্যালি শেষে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে সুমন, শওকত, জুয়েল, শেখ ফরিদ, রাসেলসহ ৩০-৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল এই হামলা চালায়।
হামলায় গুরুতর আহত রিফাত উল্লাহকে দ্রুত স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোবারকের ভাই সুমন চাইনিজ কুড়াল দিয়ে রিফাত উল্লাহকে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে এরশাদ উল্লাহ, বাহর আলী, ফারুক ও আনসার আলী আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহত ব্যক্তিবর্গ সবাই কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাহউদ্দিন চৌধুরী সালামতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও প্রশাসনের অবস্থান
হামলার বিষয়ে সালাউদ্দিন চৌধুরী সালামত বলেন, ‘সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে কর্মীসমর্থকদের নিয়ে উপজেলায় র্যালিতে অংশগ্রহণ করি। মোবারকের নেতৃত্বে তারা আমার লোকদের ওপর নৃশংস হামলা চালায়।’
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমার বিষয়ে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই এ ধরণের অভিযোগ করা হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সবজেল হোসেন বলেন, ‘হামলার বিষয়ে আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








