
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে বালুভর্তি ড্রামট্রাকের চাপায় বিপ্লব মিয়া (২২) নামে এক অটোরিকশাযাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বিপ্লব মিয়া উপজেলার কাকিনা ওবদাবাজারের রুদ্রেশ্বর এলাকার রব্বানী মিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত ছিলেন। কয়েক দিন আগে ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী গ্রামে ফুটবল খেলা দেখে অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা দেখে কয়েকজন যুবক অটোরিকশাযোগে কাকিনা বাজারের দিকে ফিরছিলেন। পথে দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুভর্তি দ্রুতগতির একটি ড্রামট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী বিপ্লব মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় আরো তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরে মওলা জানান, সড়ক দুর্ঘটনার খবর তিনি পেয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে একের পর এক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কটি অপ্রশস্ত ও আঁকাবাঁকা থাকায় যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কে তিন চাকার অটোরিকশার চলাচলও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। প্রায় প্রতি মাসেই এ সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এ অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, সড়কটি প্রশস্ত ও নিরাপদ করা হলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








