স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। সংগৃহীত

মাদারীপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে (ইউএইচএফপিও) কর্মস্থলে পাননি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। পরে তার জন্য হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করেন মন্ত্রী।

Advertisement

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেলার কালকিনি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে বলে তথ্য অধিদফতরের তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই নার্সকে অন্যত্র বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এছাড়া দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া ইউএইচএফপিও ও কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনগণের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে স্বাস্থ্য খাত শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছেছিল। ওই সময়ে জনবল, টিকা ও ওষুধের সঙ্কট ছিল প্রকট।

হাসপাতালে আউটসোর্সিং ব্যবস্থা আরো কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে জনবল সঙ্কট রয়েছে, সেখানে পর্যায়ক্রমে জনবল বাড়ানো হবে। দুর্নীতি বন্ধ করে সীমিত বাজেটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের অনুমতি দেয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

পরে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

এ সময় মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: জাহান্দার আলী মিয়া, জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার, জেলা পুলিশ সুপার মো: ফজলে এলাহীসহ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনবি