
ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিল্লাল হোসেন (৪০) আত্মসমর্পণ করেছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ পড়ে ঝালকাঠির গোরস্থান মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন হায়দার হোসেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন ঝালকাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে মো: তারেক ইবনে হায়দার। মামলায় ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রায় দেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত দায়রা জজ মো: আব্দুল হালিম।
রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের পর ওই বছরই আসামিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। এছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তিন আসামি আপিল ও এক আসামি জেল আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স মঞ্জুর করে আসামিদের আপিল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।
পিপি (সরকারি কৌশলী) অ্যাডভোকেট হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১ মার্চ এই রায় দেয়া হয়।
বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি শাহেদ নুরুদ্দীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এই রায় দেন।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পাঁচজন হলেন— মুরাদ হোসেন, আবু শাহাদাত মো: তানভীর ওরফে মেহেদি, আমিনুল ওরফে আমির হোসেন, মো: বিল্লাল হোসেন ও সমীর হোসেন ভূঁইয়া। পাঁচ আসামির মধ্য অন্যতম বিল্লাল হোসেন পলাতক ছিলেন।
তবে, আজ সোমবার ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন বিল্লাল হোসেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আক্কাস শিকদার।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








