
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তারেক হোসেন বাপ্পী (২৭) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তাফসির আলম শাওন (২৩) নামে আরেক যুবদল কর্মী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাড়বকুণ্ডের অলিনগর এলাকায় যুবদল নেতা সাদ্দামের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাপ্পী বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দামের অনুসারী বলে জানা গেছে। প্রশাসন ধারণা করছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এ ঘটনা ঘটতে পারে।
নিহত বাপ্পী সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মধ্যম মাহদাবাদ এলাকার বাসিন্দা কুরবান আলীর বাড়ির মরহুম আলী আহমদের ছেলে। অন্যদিকে আহত শাওন একই এলাকার ইউসুফের ছেলে।
যুবদল নেতা সাদ্দামের কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল কার্যালয়ের সামনে বাপ্পী ও শাওনকে এলোপাতাড়ি মারধর করছে। এ সময় তারা নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।
নিহত বাপ্পীর ভাই রহিম খান বাবু জানান, দুর্বৃত্তরা তার ভাই বাপ্পী ও শাওনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাপ্পীকে মৃত ঘোষণা করেন। শাওন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানান রহিম খান।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক নুরুল আলম আশেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গভীর রাতে স্বজনেরা গুলিবিদ্ধ দুই যুবককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে বাপ্পীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ অন্য যুবক আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা সাদ্দামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা জানান।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, মধ্যরাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই যুবকের হতাহতের খবর তারা পেয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








