
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘সিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষ এখানে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। এই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নগরের দাড়িয়াপাড়ায় আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। এ উৎসবকে আনন্দমুখর ও নির্বিঘ্ন করতে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। নগরের পূজামণ্ডপগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, সড়কবাতি সচল রাখা এবং মশক নিধনসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সিসিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার— এই চেতনা ধারণ করে আমরা একটি সুন্দর ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে চাই। দুর্গাপূজাসহ সব ধর্মীয় উৎসব যাতে মানুষ নিরাপদে ও আনন্দের সাথে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। সিলেটের ধর্মীয় সম্প্রীতির যে সুনাম রয়েছে, তা ধরে রাখতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কোনো বিকল্প নেই। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিন্নতা আমাদের বিভক্ত করে না। বরং সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আমাদের আরো ঐক্যবদ্ধ করে।’
বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ফণী ভূষণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কানন কান্তি দাশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজসেবী জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার চন্দন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শরদিন্দু ভট্টাচার্য, দৈনিক সিলেটের ডাক-এর বার্তা সম্পাদক সমরেন্দ্র বিশ্বাস, পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এপেক্সিয়ান চন্দন দাশ ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দাশ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে অতিথিরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








