
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে বৃত্তি কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহালয়া উদযাপন পরিষদ প্রতিবছর এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রশংসনীয় কাজ করছে।’
এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বৃত্তির পরিমাণ বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সিলেট সদরের শ্রীশ্রী বলরাম জিউর আখড়া মন্দিরে মহালয়া উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্ট আয়োজিত সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আয়তনে ছোট হলেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে এ দেশের মানুষের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে এমন সম্প্রীতি দেশের অনন্য সম্পদ। সবাই মিলেমিশে কাজ করলে বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। মহালয়া উদযাপন পরিষদের এ উদ্যোগে সিলেট সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সুযোগ হলে তিনিও এ ধরনের উদ্যোগে সম্পৃক্ত হবেন।
তিনি আরো বলেন, সিলেটে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন ও সংস্কারে সহযোগিতা করা হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলুসহ রাজনৈতিক ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী সুরমা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান, কুমারগাঁও–বাদাঘাট–এয়ারপোর্ট জাতীয় মহাসড়ক চার লেন প্রকল্পের বাদাঘাট অংশ এবং লাক্কাতুরা থেকে দলদলি পর্যন্ত ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








