
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের সৈন্যারটেক রাস্তার মাথা থেকে শুরু হয়ে ব্রিজঘাট গিয়ে র্যালিটি শেষ হয়। র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার বর্তমানে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা প্রবল আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে, সরকার এ ভয়াবহতা মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত টেস্ট কিট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসাসেবা সহজ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সীমাবদ্ধ সময় নিয়ে আমরা পৃথিবীতে এসেছি। এ সময়ের মধ্যে ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের অনেক কিছু করতে হয়। আজ আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি তা থেকে মুক্তি লাভের জন্য প্রথম কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি করা। শুধু মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট দিয়ে আমরা এ দুরবস্থা থেকে মুক্তি লাভের আশায় বসে থাকলে দিন দিন আমাদের চারপাশের অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে। তাই আমি আজকের র্যালি থেকে এ মহামারি মোকাবেলায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ভূমি অধিগ্রহণ) মোহম্মদ কামরুজ্জামান, জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার মোহাম্মদ আসিফ জাহান সিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী আব্বাস, চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহের, চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, শিকলবাহা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ডা: ফায়সাল, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য সচিব জিএম জসিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা মির্জা ইসমাইল, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবসহ রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মকর্তা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) সদস্য ও স্কাউট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








