
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
নদী, খাল, বিল ও পুকুরবেষ্টিত কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে প্রায়ই। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে জেলায় শিশু ও বিভিন্ন বয়সী অন্তত ২২ জন পানিতে ডুবে মারা গেছে। অথচ ঝুঁকিপূর্ণ এ জেলায় নেই স্থায়ী প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে খুলনা থেকে ডুবুরি দলের আসার অপেক্ষা করতে হয় বলে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।
পদ্মা ও গড়াইসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে গোসল, মাছ ধরা কিংবা অসাবধানতায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। একইভাবে বাড়ির আশপাশের পুকুরেও পানিতে ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মা ও গড়াই নদীতে কয়েকটি দুর্ঘটনা দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, জেলা পর্যায়ে স্থায়ী ডুবুরি পদে জনবল না থাকায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ওয়াদুদ হোসেন বলেন, জেলা পর্যায়ে ডুবুরি রাখা হয় না; বিভাগীয় পর্যায়ে এ জনবল রয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সভায় আলোচনা হয়েছে এবং মহাপরিচালকও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন। জেলা পর্যায়ে ডুবুরি থাকলে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখানোর ব্যবস্থা করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমতে পারে।







