
ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের জন্য সংশোধিত ম্যাচ ফি অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একইসাথে, তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ছয় দলের একটি প্রতিযোগিতা কাঠামো চালুর বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী, পুরুষ বিভাগে চার দিনের ক্রিকেটে খেলোয়াড়রা প্রতি ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্যদিকে, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য ম্যাচ ফি যথাক্রমে- ১ লাখ ও ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় একাদশের (সেকেন্ড ইলেভেন) ম্যাচ ফি ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নারী বিভাগে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়রা তিন দিনের প্রতি ম্যাচে ৪০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ৩০ হাজার টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা পাবেন।
ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে আজ অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া, বোর্ড বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দৈনিক ভাতা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার বিষয়টিও অনুমোদন করেছে।
পাশাপাশি, বিসিবি একটি একক প্রতিযোগিতার কাঠামোর আওতায় তিনটি ফরম্যাট প্রথম- শ্রেণির চার দিনের ম্যাচ, লিস্ট-‘এ’ ওয়ানডে এবং লিস্ট-‘এ’ টি-টোয়েন্টি নিয়ে ছয় দলের একটি ঘরোয়া প্রতিযোগিতা চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই কাঠামোর আওতায়, প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য করপোরেট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দলের মালিকানা স্বত্ব প্রদানের প্রস্তাব দেয়া হবে।
বোর্ডের তথ্যমতে, নতুন এই কাঠামোর অধীনে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে এবং এজন্য ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই পুনর্গঠনের লক্ষ্য হলো- তিন ফরম্যাটকে একটি সমন্বিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতার কাঠামোর আওতায় আনা এবং দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ আরো বৃদ্ধি করা।







