
হিন্দু সমাজকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সবসময় রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শনি ও রোববার (১৮ অক্টোবর) দুই দিনে বরিশাল নগরীর পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ জনগোষ্ঠী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। এ উৎসব শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরও প্রতীক। সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের অধিকার রয়েছে। এ অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তিনি আরো বলেন, ক্ষমতায় যাওয়া এবং ক্ষমতা ধরে রাখার স্বার্থে আওয়ামী লীগ বারবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার করেছে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক স্বার্থে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা, দখল এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ।
এসব ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা মামলা করেও প্রত্যাশিত বিচার পাননি বলে তিনি দাবি করেন।
বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে রহমাতুল্লাহ বলেন, বিএনপি কখনো ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে না। দলটি সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পক্ষে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
তিনি আরো বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়ের মতো তারেক রহমানের নেতৃত্বেও বিএনপি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক, মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে কথা বলেন। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি এবং সামাজিক ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








