
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সিনেট নির্বাচনে প্রথম মুসলিম হিসেবে জয়ী হয়েছেন আবদুল এল-সাইয়েদ। তাঁর এই ঐতিহাসিক বিজয়কে সামনে এনে ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসলমানদের নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।
এনডিটিভি বুধবার (৪ নভেম্বর) জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য নির্বাচিত হওয়া এল-সাইয়েদের বিজয়কে স্বাগত জানিয়ে ওয়াইসি বলেছেন, এই ফলাফলে ভারতের মুসলমানদের জন্যও একটি বার্তা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর প্রদেশের মুসলমানদের জন্য, যাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রায়ই বিদ্রূপ করা হয়।
‘মিশিগানে একজন আবদুল জিতেছেন। এবার উত্তর প্রদেশের আবদুলকে নিজের
রাজনৈতিক পরিচয় শক্তিশালী
করতে হবে।’
এক্সে দেয়া এক পোস্টে ওয়াইসি বলেন, ‘মিশিগানে একজন আবদুল জিতেছেন। এবার উত্তর প্রদেশের আবদুলকে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় শক্তিশালী করতে হবে।’
তিনি হিন্দিতে আরো লেখেন, ‘সংঘরা অনেক চেষ্টা করেছে ‘আবদুল’ নামটিকে বিদ্রূপের বিষয় বানাতে। এবার আমাদের দেখিয়ে দেয়ার সময় এসেছে, আবদুল আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে মাথা নত করে না। আমরা আর কারো সামনে জায়নামাজ বিছিয়ে দেব না।’
ওয়াইসির এই বক্তব্যের লক্ষ্য উত্তর প্রদেশের প্রচলিত নির্বাচনী রাজনীতি। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু মুসলমানদের কাছে ভোট চাওয়া হয়। কিন্তু বিনিময়ে তাঁদের যথাযথ রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব দেয়া হয় না।
উত্তর প্রদেশে কয়েক মাসের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। রাজ্যটির মোট ভোটারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মুসলমান। সেখানে রাজনৈতিক আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আবদুল’ নামটি প্রায়ই মুসলিম সম্প্রদায়কে বিদ্রূপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
ওয়াইসির দল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং সমাজবাদী পার্টির মতো আঞ্চলিক বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করে আসছে। দলটির অভিযোগ, বিজেপি মুসলমানদের নিশানা করছে। অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির মতো বিরোধী দলগুলো মুসলমানদের কেবল নিজেদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সিনেট নির্বাচনে ৪২ বছর বয়সী আবদুল এল-সাইয়েদের জয়ের খবর মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো প্রচার করার কয়েক ঘণ্টা পর ওয়াইসি এসব মন্তব্য করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








