
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মীয় বৈষম্য ও ফিলিস্তিনে ইসরাইলি সামরিক অভিযানে মার্কিন সহায়তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রথম মুসলিম সিনেটর ডা: আবদুল আল-সাইয়েদ। মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের অর্থায়ন বন্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে কূটনীতির প্রত্যাবর্তনকে তিনি নিজের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে নিজের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন আল-সাইয়েদ। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম পরিচয়ের কারণে কাউকে সন্দেহের চোখে দেখা কিংবা ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে নাগরিক আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রবণতার বিরুদ্ধে তিনি সিনেটে সোচ্চার থাকবেন। একইসাথে তিনি স্পষ্ট করেছেন, মুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য নয়; বরং সব ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার অংশ।
গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয় পান আল-সাইয়েদ। তার এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হওয়ার নজির সৃষ্টি হয়। নির্বাচনি প্রচারণায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতাদের ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য এবং তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্কের মধ্য দিয়েই তাকে নির্বাচনী লড়াই চালাতে হয়েছে।
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে অপরাধী বানানোর বিরুদ্ধে অবস্থান
সাক্ষাৎকারে আল-সাইয়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে ভয়, সন্দেহ ও বিদ্বেষ ছড়ানোর প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। তিনি নিজেও নির্বাচনী প্রচারণার সময় মুসলিম পরিচয়ের কারণে নানা ধরনের আক্রমণ ও অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। তার মতে, একজন মানুষ কীভাবে প্রার্থনা করেন কিংবা কোন ধর্ম পালন করেন, সেটিকে তার দেশপ্রেম, নাগরিক আনুগত্য কিংবা রাজনৈতিক অবস্থানের মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করা অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক।
তিনি বলেন, তিনি এমন একটি আমেরিকা দেখতে চান, যেখানে কোনো মুসলিম অভিভাবক সন্তানকে মসজিদে পাঠানোর সময় তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকবেন না। একইভাবে ইহুদি পরিবার তাদের সন্তানদের বিদ্যালয় বা উপাসনালয়ে পাঠিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরে আসার বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে। খ্রিষ্টান, হিন্দু, শিখ কিংবা কোনো ধর্ম পালন করেন না—এমন প্রত্যেক নাগরিকেরও সমান নিরাপত্তা ও মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে মানুষকে দানব হিসেবে উপস্থাপন করার রাজনীতি সমাজকে বিভক্ত করে। তিনি ভালোবাসার পক্ষে এবং ঘৃণার বিরুদ্ধে। তার ভাষায়, কোনো সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাকে অন্য সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার বিপরীতে দাঁড় করানো উচিত নয়।
আল-সাইয়েদ বিশেষভাবে বলেন, ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করার অর্থ ইহুদি শিশুদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা নয়। বরং ফিলিস্তিনি ও ইহুদি—উভয় সম্প্রদায়ের শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে। ইহুদি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি নিজের সন্তানদের নিরাপত্তার মতোই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান।
ইসরাইলের সামরিক সহায়তা বন্ধে ট্রাম্পের প্রস্তাবকে সমর্থন
সাক্ষাৎকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইসরাইলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা দেয়ার বিষয়ে তার অবস্থান। আল-সাইয়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ দিয়ে এমন কোনো বিদেশী সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করা উচিত নয়, যাদের অস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ মানুষের ওপর ভয়াবহ হামলা চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য মার্কিন অর্থ ব্যয় করা গ্রহণযোগ্য নয়। ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যার প্রতিবাদ করলেই সেটিকে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।
তার বক্তব্য, ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় নীতি ও সামরিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনার সাথে ইহুদি ধর্ম কিংবা ইহুদি জনগোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষকে এক করে দেখা উচিত নয়। ইহুদি ধর্ম, ইহুদি জনগণ এবং ইসরাইল রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করতে হবে। একই নীতি তিনি মিসরের ক্ষেত্রেও প্রয়োগের কথা বলেন। তার বাবা-মা মিসর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেও মিসরীয় সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করতে তিনি দ্বিধা করবেন না। কারণ, কোনো দেশের সরকারের কর্মকাণ্ডের দায় সেই দেশের সব নাগরিকের ওপর চাপানো যায় না।
তিনি আরো বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বৈষম্যমূলক নীতি এবং গাজায় মানুষের মৌলিক প্রয়োজনীয় পণ্যের প্রবেশে বাধা দেয়ার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বিবেচনা করতে হবে। গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে তিনি গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান হওয়া উচিত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পক্ষে।
বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে দেয়া বার্ষিক প্রায় চার বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের যে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন, সেটিকে স্বাগত জানিয়েছেন আল-সাইয়েদ। তিনি বলেন, এ নীতিতে ট্রাম্প সঠিক অবস্থান নিয়েছেন এবং এ সহায়তা বন্ধের বিষয়ে তিনি প্রেসিডেন্টের সাথে কাজ করতেও আগ্রহী।
তার ভাষায়, বিদেশী সামরিক বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দিয়ে ভর্তুকি দেয়ার পরিবর্তে সেই অর্থ দেশের জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা উচিত। ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি দেশটির কাছে অস্ত্র বিক্রিও বন্ধ করার পক্ষে তিনি অবস্থান নিয়েছেন।
বিদেশী যুদ্ধের পরিবর্তে দেশের মানুষের কল্যাণে অর্থ ব্যয়ের দাবি
আল-সাইয়েদ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থ বিদেশী সামরিক বাহিনী ও যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যয় করার পরিবর্তে দেশের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, শিশুদের পরিচর্যা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেও জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও চিকিৎসার ব্যয় বাড়ছে। অথচ সরকার বিদেশী দেশগুলোর জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। এ নীতির পরিবর্তন প্রয়োজন।
তার মতে, দেশের শিশুদের জন্য মানসম্মত বিদ্যালয়, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিশুদের যথাযথ পরিচর্যার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। বিদেশী সরকারকে সামরিক সহায়তা দেয়ার চেয়ে এসব খাতে অর্থ ব্যয় করলে মার্কিন জনগণ সরাসরি উপকৃত হবে।
তিনি শুধু ইসরাইল নয়, মিসর, সৌদি আরব, জর্ডান ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশকে মার্কিন সামরিক সহায়তা দেয়ার নীতিও পুনর্বিবেচনার পক্ষে মত দিয়েছেন। তার বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ কোথায় এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে সরকারের জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।
রাজনীতিতে করপোরেট অর্থের প্রভাব কমানোর অঙ্গীকার
ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে বড় করপোরেশন ও অর্থশালী গোষ্ঠীর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আল-সাইয়েদ। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এখন সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিবর্তে বড় বড় করপোরেশনের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি এই ব্যবস্থাকে প্রকৃত পুঁজিবাদ না বলে করপোরেট আধিপত্য হিসেবে বর্ণনা করেন। তার অভিযোগ, বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্যের দাম, শ্রমিকদের আয় এবং বাজারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার করছে। ফলে সাধারণ মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেও ন্যায্য সুফল পাচ্ছেন না।
এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে করপোরেট অর্থের রাজনৈতিক প্রভাব কমানো, সাধারণ মানুষের আয় বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সবার নাগালের মধ্যে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তার নির্বাচনি অঙ্গীকারের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং রাজনীতিকে বড় অর্থদাতাদের প্রভাবমুক্ত করার বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
তিনি বলেন, তার নির্বাচনি লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি থেকে বড় অর্থের প্রভাব সরিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়া।
ট্রাম্পের সাথে কাজ করতেও আপত্তি নেই
রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন আল-সাইয়েদ।
ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবকে সমর্থন করার পাশাপাশি তিনি বলেন, রাজনীতি প্রতিপক্ষের ওপর প্রতিশোধ নেয়ার খেলা হওয়া উচিত নয়। বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মার্কিন জনগণের জন্য কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করাই রাজনীতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে ব্যক্তিগত বিরোধকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান বিষয় বানানো ঠিক নয়। জনগণের কল্যাণে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করা সম্ভব, সেসব বিষয়ে একসাথে কাজ করা প্রয়োজন।
আল-সাইয়েদের এই অবস্থান তার নির্বাচনী প্রচারণার অভিজ্ঞতার সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। প্রচারণার সময় ট্রাম্পসহ রিপাবলিকান নেতারা তাকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে আক্রমণ করেন। তার মুসলিম পরিচয়, পারিবারিক পটভূমি এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে কথিত সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
তবে আল-সাইয়েদ এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি সমর্থন নেই বলে তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। একইসাথে তার বক্তব্য, মুসলিম হওয়ার কারণে কোনো ব্যক্তির সাংবিধানিক আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা দ্বৈত আনুগত্যের ধারণাকে উসকে দেয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকেই নিজের রাজনৈতিক ও নাগরিক অঙ্গীকারের প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয় পান আল-সাইয়েদ। প্রায় ৯৭ শতাংশ ভোট গণনার সময় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে সাত শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। তার বিজয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আগামী জানুয়ারি থেকে তিনি সিনেটের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বিজয়ের পর তিনি বলেন, মিশিগানের মানুষ তার নাম ও ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিদ্বেষমূলক প্রচারণা প্রত্যাখ্যান করেছে। তার মতে, ভোটাররা এমন রাজনীতি চান, যেখানে মানুষের নাম, চেহারা কিংবা ধর্ম নয়; বরং তাদের বাস্তব সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেয়া হবে।
সব মিলিয়ে আল-সাইয়েদের বক্তব্যে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের সমান নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ এবং মার্কিন জনগণের অর্থ দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা। ঐতিহাসিক নির্বাচনি বিজয়ের পর এসব অঙ্গীকার বাস্তবে কতটা কার্যকর করতে পারেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








