জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও গণরায় বাস্তবায়নসহ জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে জেলা সদরের শাপলা চত্বর থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্ত মঞ্চে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এয়াকুব আলী চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হওয়ার কারণেই হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। গণরায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপিও একই পথে হাঁটছে। দেশে বিশৃঙ্খলা করে বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে না দলটি। তাদের পরিণামও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।’
এ সময় তিনি অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবি জানান।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির জেলা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুস সত্তার, এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক চাইথোয়াই মারমা, সদস্য সচিব সুবোধ চাকমা প্রমুখ।
গণভোটের রায় মেতে নিতে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বক্তারা বলেন, ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে না নিলে জনগণ আপনাদেরও মেনে নেবে না। বাংলার মাটিতে ফ্যাসিবাদ জনগণ মেনে নেয়নি বলেই গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছিল।
এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল হয়ে ফিরে এসেছে। শিক্ষাঙ্গনে বিরোধীদলীয় ছাত্রসংগঠনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ফ্যাসিস্ট কায়দায় হামলা চালাচ্ছে। সারাদেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। এভাবে চলতে থাকলে আবারো ৫ আগস্টের সৃষ্টি হবে।
সমাবেশে জেলা উপজেলার ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



