লোড হচ্ছে...
নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যা মামলার গ্রেফতার হওয়া আসামি সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্বকে (২৮) আরো অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন...
৭ দিন আগে

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেলুঞ্জিয়া বাজারের একটি মুদি দোকানে বসেছিলেন আলিফ। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত সেখানে পৌঁছে পিস্তল দিয়ে পর পর পাঁচ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়।
৮ দিন আগে

পুলিশ প্রথমে শুধু প্রধান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা নিতে চেয়েছিল। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আরো দু’জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে স্বজনদের সাথে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়।
৯ দিন আগে

চার দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপর দিকে তাদের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১১ দিন আগে

২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর মুন্তাজ মন্ডল ও নাজমুল হোসেন নামে দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
১৩ দিন আগে

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৩ দিন আগে

আরমানকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা তার ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৭ দিন আগে

রিমান্ডকৃতরা হলেন মো: শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, মো: শাহ আলম, মো: আতিকুর রহমান, মো: কামরুল ইসলাম, মো: নুর আলম, মো: রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও মো: সাজ্জাদ হোসেন মিশু।
১৯ দিন আগে

ভুয়া এনআইডি ও জাল খারিজ চক্রের তিন সদস্যের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
১৯ দিন আগে

তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের আবারো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২০ দিন আগে

প্রিজন ভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’ ওরফে রাজার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার দুই পুলিশ সদস্য ও রাজার বোনকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
২১ দিন আগে

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন দক্ষিণ মানিকদীর ইসিবি চত্বর নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্প এলাকায় আনুমানিক ৫০ জন দুষ্কৃতকারী জনতাবদ্ধ হয়ে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং রামদা, ছোরা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো: পারভেজসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
২৬ দিন আগে

দুই দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২৬ দিন আগে

দুই দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
২৭ দিন আগে

ছয় দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২৯ দিন আগে

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের গুলশান জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো: জেহাদ হোসেন পুনরায় তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
২৯ দিন আগে

দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২৯ দিন আগে

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল ষড়যন্ত্র উন্মোচনের জন্য আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তাকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে (রিমান্ড) নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে দ্বিতীয় দফায় আরো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপোন হোসেন তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


