লোড হচ্ছে...
প্রকল্পের অর্থায়নের ক্ষেত্রেও কিছু প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রতিনিধি জানান, এডিবির ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন ২০২৬ সালের ১৪ থেকে ১৮ জুন প্রকল্পটি নিয়ে কাজ করেছে। মিশনের সাখে আলোচনার ভিত্তিতে এডিবি একটি ‘এইড-মেমোয়ার’ তৈরি করে। তবে ওই নথি নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ আপত্তি জানায়। ইআরডি গত ২০ আগস্ট ২০২৬ সেই আপত্তি এডিবিকে পাঠিয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
৭ দিন আগে

বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাড়া সাধারণভাবে ইতিবাচক। তবে প্রতিশ্রুতির অর্থ হাতে আসা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হওয়ার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তথ্য সেই পার্থক্যকেই সামনে এনেছে। এক দিকে নতুন প্রতিশ্রুতির অঙ্ক বেড়েছে, অন্য দিকে প্রকল্প সহায়তার অর্থছাড় কমেছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের চাপও বেড়েছে।
৯ দিন আগে

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির মধ্যে একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
২৬ দিন আগে

কঠিন শর্তে প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার। বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জ্বালানি আমদানির ব্যয় মেটাতে দু’টি আন্তর্জাতিক সংস্থা...
২৮ দিন আগে

চুক্তির আওতায় প্রথম প্রকল্পটি ‘ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে এডিবি ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে।
২৮ দিন আগে

সভায় রাজশাহী মহানগরীর টেকসই ও বাসযোগ্য নগর উন্নয়নে সম্ভাব্য উন্নয়ন প্রকল্প, বিদ্যমান সমস্যা, সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, পর্যটন, আবাসন ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা।
৪ অক্টোবর, ২০২৬

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), আইডিএ, এআইআইবি, ভারত, চীনের মতো বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়নকারী মূল উন্নয়ন সহযোগীরা চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে (জুলাই-আগস্ট) কোনো ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। উল্টো বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ১.৪ শতাংশ। তবে অর্থ ছাড়ের গতি কমেছে ৬০.৭২ শতাংশ। উল্টো দিকে পুরনো ঋণ শোধের বোঝা বেড়েছে, পৌনে ৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশে নতুন বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে ছাড় হয়েছে ২৯ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। একই সময়ে ঋণের আসল ও সুদ মেটাতে খরচ হয়েছে ৬৯ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার। নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই এটি বড় ধাক্কা।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ঋণগ্রহীতা- বিশেষ করে নারীদের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগ-সহনশীল আবাসন ঋণের সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১০ কোটি ডলারের একটি নমনীয় ঋণ অনুমোদন করেছে এডিবি।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন হলে যমুনা-পদ্মার ভাঙন রোধের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এডিবির প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়লেও তা এখনো শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


