লোড হচ্ছে...
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা দিয়ে প্রায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি এনওপি সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সহায়ক হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এনওপি সীমা বাড়ানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু ঝুঁঁকিও রয়েছে। ব্যাংকগুলো ভবিষ্যতে ডলারের দাম বাড়বে- এমন প্রত্যাশায় বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রাখতে পারে। একাধিক ব্যাংক একই কৌশল অনুসরণ করলে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের সরবরাহ কমে গিয়ে অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য সঙ্কট আরো বাড়তে পারে।
২ দিন আগে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
১১ দিন আগে

আইএমএফের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে নতুন ঋণের পরিমাণ, শর্ত বা আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
১৬ দিন আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।
২১ দিন আগে

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার।
২৯ দিন আগে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ঋণের সুদের হার বাড়িয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও নীতিনির্ধারকেরা তা মোকাবিলায় যথেষ্ট দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছেন না—এমন উদ্বেগে থাকা ব্যবসায়ীদের জন্য ফেডের এই সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


