মালদ্বীপে সার্কের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের ৩১ প্রতিনিধি
মালদ্বীপে সার্কের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের ৩১ প্রতিনিধি অংশ নেয়। নয়া দিগন্ত

মালদ্বীপে সার্ক সাইকিয়াট্রিক ফেডারেশনের (এসপিএফ)-এর ১৬তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রায় ৩১ জন শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। তার অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতা, পেশাগত যোগাযোগ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে হাইকমিশনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

Advertisement

১ ও ২ নভেম্বর মালদ্বীপ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি সাজিদা মোহাম্মদ। যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক পেশাজীবীরা অংশ নিয়েছেন।

১৬তম আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে মনোরোগবিদ্যা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল, জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা। বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও আঞ্চলিক পর্যায়ে এ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে যুক্ত ছিলেন।

হাইকমিশনের দেয়া তথ্য মতে, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে শিক্ষা কূটনীতি এবং জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পেশাগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হাইকমিশনের মতে, একাডেমিক সম্মেলন, গবেষণা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার করা সম্ভব। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে এ ধরনের উদ্যোগে উৎসাহ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছে হাইকমিশন।

আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীর অংশগ্রহণ আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময়ের পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে একাডেমিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।