জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিপ্লবী পরিষদের শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতারা।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের মাজারে নেতারা ফাতেহা পাঠ করেন।
তারা শহীদ জিয়াউর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে সম্পৃক্ত সব মরহুম সৈনিক- অফিসার ও বেসামরিক নাগরিকের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। 
মাজার জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সালমান সাকিব, সাকিব সামিন ও জয়নাল আবেদিন এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সদস্যসচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্যসচিব মো: আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের খোমেনী ইহসান বলেন, শহীদ জিয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে একাত্তরে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তবে মুক্তিযুদ্ধ শেষে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পাইনি। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই আমরা ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়েছিলাম। তবে সে শাসনের পতন হলে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে সাতই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার সূচনা হয়।
খালেদা জিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি আধিপত্যবাদ বিরোধী মহীয়সী মুসলিম নেত্রী ছিলেন। তাকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদী কারাবন্দী করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাকে আমরা শহীদ মনে করি। 
খোমেনী ইহসান আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শহীদ জিয়া ও শহীদ খালেদা জিয়ার আধিপত্যবাদ-ফ্যাসিবাদ বিরোধী নীতি অনুসরণ করবেন। ঘুষ দুর্নীতি চাঁদাবাজি দমন করে একটি সুখী সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অবদান রাখবে। বিজ্ঞপ্তি।

Advertisement