
কক্সবাজার উপকূল রক্ষায় ৭০৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলায় বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ ও রেগুলেটর নির্মাণে এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা।
কিন্তু প্রকল্পের ব্যয় বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নদীতীর সংরক্ষণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ ধরা হয়েছে ৩৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। ঢাল সংরক্ষণসহ উপকূলীয় বাঁধ উঁচুকরণে তা প্রায় ৩৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অথচ পাউবোর অন্য প্রকল্প ও সরকারি দরপত্রের সাথে তুলনায় এই ব্যয়ের উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। ভোলার লালমোহনে নদীতীর সংরক্ষণের একটির তুলনায় পেকুয়ার প্রস্তাবিত ব্যয় প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি। শুধু তা-ই নয়, প্রকল্পের ২৪টি রেগুলেটর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৩৬ শতাংশ বলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনার নথির তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
প্রকল্পের প্রস্তাবনার নথির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন এবং সেচব্যবস্থার উন্নয়নে উপকূলীয় পোল্ডার নং-৬৪/২এ এবং ৬৪/২বি এর পুনর্বাসন’- শীর্ষক প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এর অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্তকরণে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনকে চিঠি দেয়া হয়। কারণ চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এই প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। প্রকল্পটি অর্থবছরের এডিপির অনুমোদিত তালিকাতেও ছিল না।
প্রকল্পের খরচের তথ্য
নথির তথ্যানুযায়ী, প্রকল্পের আওতায় ৮০ কিলোমিটারের বেশি অভ্যন্তরীণ বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসনে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা। পাউবোর অন্য দু’টি প্রকল্পে বাঁধ পুনর্বিন্যাসের একক ব্যয় ছিল প্রায় ৪৬ লাখ থেকে ৯৪ লাখ টাকা। কাজের ধরন ও কারিগরি বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য থাকলেও এত বড় ব্যবধানের ব্যাখ্যা কী, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে পরিকল্পনা কমিশনের কাছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আরো দু’টি বিষয়। প্রকল্পটি এখনো অনুমোদিত নয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল এডিপি কিংবা সংশোধিত এডিপিতেও (আরএডিপি) এর জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। অন্য দিকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী লাল শ্রেণীভুক্ত হলেও প্রকল্পটির পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (ইআইএ) এখনো করা হয়নি বলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প-সংক্ষিপ্তসারে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
‘কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে উপকূলীয় পোল্ডার নং-৬৪/২এ এবং ৬৪/২বি-এর পুনর্বাসন প্রকল্প’ নামের এই উদ্যোগের প্রস্তাবিত ব্যয় ৭০৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০৩০ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো অর্থই আসবে সরকারি তহবিল থেকে। বিদেশী ঋণ বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন নেই।
একই প্রকল্পে ব্যয়ের ফারাক
প্রকল্পের নথির ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, ৫ দশমিক ৪৫০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ২০৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আর ঢাল সংরক্ষণসহ ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার উপকূলীয় বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। কিলোমিটার প্রতি ব্যয় প্রায় ৩৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অথচ একই প্রকল্পে ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার উপকূলীয় বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসনে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা। এতে কিলোমিটার প্রতি খরচ প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এখানে আকাশপাতাল ফারাক।
সবচেয়ে দীর্ঘ কাজ অভ্যন্তরীণ বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসন। ৮০ দশমিক ৪৬০ কিলোমিটার বাঁধের জন্য প্রস্তাবিত ব্যয় ১৫০ কোটি ৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ একই প্রকল্পে বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসনের বিভিন্ন উপখাতে কিলোমিটার প্রতি ব্যয়ের বড় পার্থক্য রয়েছে। ঢাল সংরক্ষণসহ বাঁধের ক্ষেত্রে যেখানে কিলোমিটারে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা, সেখানে অন্য উপকূলীয় বাঁধে তা প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এই পার্থক্যের পেছনে নকশা, বাঁধের উচ্চতা, মাটির অবস্থা ও প্রতিরক্ষামূলক কাজের ধরন কতটা ভূমিকা রেখেছে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ মনে করছে।
অন্য প্রকল্পে ব্যয় কম, পেকুয়ায় বেশি
পাউবোর অন্য প্রকল্পের হিসাবের সাথে তুলনা করলে অভ্যন্তরীণ বাঁধ পুনর্বাসনের ব্যয়েও ব্যবধান দেখা যায়। বিশ^ব্যাংকের ২০২৪ সালের জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পুনর্গঠন প্রতিবেদনে সাতলা-বাগদা পোল্ডার-১ এলাকায় ২৫ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বিন্যাসে ডিপিপি অনুযায়ী ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এতে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় প্রায় ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। একই প্রকল্পের মধুখালী-বালিয়াকান্দি এলাকায় ১০ দশমিক ৮ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বিন্যাসে ব্যয় ছিল ৫ কোটি টাকা। কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় প্রায় ৪৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। অন্য দিকে পেকুয়া প্রকল্পে অভ্যন্তরীণ বাঁধ উঁচুকরণ ও পুনর্বাসনে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ সাতলা-বাগদা প্রকল্পের তুলনায় প্রায় ৮৪ শতাংশ এবং মধুখালী-বালিয়াকান্দির তুলনায় প্রায় ২৭৬ শতাংশ বেশি।
নদীতীর সংরক্ষণে ব্যবধান আরো স্পষ্ট। ভোলার লালমোহন উপজেলার পোল্ডার ৫৬/৫৭ এলাকায় পাউবোর একটি সরকারি দরপত্রে ৯০০ মিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ওই দরপত্র অনুযায়ী কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় প্রায় ২১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। পেকুয়ায় একই ধরনের নদীতীর সংরক্ষণে কিলোমিটারপ্রতি প্রস্তাবিত ব্যয় ৩৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ ভোলার ওই কাজের তুলনায় প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফেনী নদীর বাম তীরে ২১০ মিটার প্রতিরক্ষামূলক কাজের ২০১৯ সালের একটি দরপত্রেও প্রায় ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল। সে হিসাবে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় প্রায় ২৭ কোটি ৩ লাখ টাকা। পেকুয়ার প্রস্তাবিত ব্যয় এর তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
২৪টি রেগুলেটরে ২৫৪ কোটি টাকা
নথির তথ্য বলছে, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের বড় অংশই যাচ্ছে রেগুলেটর নির্মাণে। ২৪টি রেগুলেটর নির্মাণে প্রস্তাব করা হয়েছে ২৫৪ কোটি ৩০ লাখ ৮১ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি রেগুলেটরে গড়ে ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের প্রায় ৩৬ শতাংশ এই একটি খাতেই। এ ছাড়া ৩২টি ইনলেট-আউটলেট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ২৯ হাজার টাকা। পেকুয়া পানি উন্নয়ন উপবিভাগের জন্য নতুন দুইতলা অফিস ভবন, পরিদর্শন বাংলো ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
পরিকল্পনা কমিশন সংশ্লিষ্টরা বলছে, রেগুলেটর নির্মাণে ব্যয়ের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিটির নকশা, গেটের সংখ্যা, পানিপ্রবাহের ধারণক্ষমতা, ভিত্তির গভীরতা ও নির্মাণসামগ্রীর পরিমাণ জানা জরুরি। কারণ সব রেগুলেটরের আকার ও কারিগরি বৈশিষ্ট্য এক নয়। পৃথক ব্যয় বিবরণী ছাড়া গড় ব্যয় দিয়ে প্রকৃত ব্যয়ের যৌক্তিকতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
বাঁধ ভাঙছে, ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার পরিবার
প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পাউবো বলেছে, পেকুয়া দেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। মাতামুহুরী ও কোহেলিয়া নদী এবং ভোলাখাল ও কাটাখালির কারণে প্রতি বছর বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে প্রকল্প নথিতে উল্লেখ রয়েছে। আর ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, পেকুয়া উপজেলার জনসংখ্যা ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৭। আয়তন ১৩৯ দশমিক ৬৮ বর্গকিলোমিটার। এখানে একটি পৌরসভা, ছয়টি ইউনিয়ন, ১১টি মৌজা ও ২২২টি গ্রাম রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত ১৩০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের বড় অংশ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ। পোল্ডার ৬৪/২এ-তে ৩৪ কিলোমিটার এবং ৬৪/২বি-তে ৯৬ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। আইলা, রোয়ানু, ফণী, বুলবুল, ইয়াস, সিত্রাং ও মোরাসহ বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় বাঁধের প্রায় ৬০ শতাংশ কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নথিতে দাবি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের মৌসুমি বন্যায় নিজামতারানী খালের ৫২ নম্বর রেগুলেটর এবং মগনামা ইউনিয়নের কুমুরিয়া খালের ৪১ নম্বর পাইপ স্লুইস সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়। এতে প্রায় ৩ হাজার ২০০ হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন হয়েছিল বলে প্রকল্প নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
লাল শ্রেণীর প্রকল্প, হয়নি পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা
প্রকল্পের প্রস্তুতিতে পরিবেশগত ঝুঁকি মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী প্রকল্পটি লাল শ্রেণীভুক্ত। কিন্তু প্রকল্প-সংক্ষিপ্তসার তৈরির সময় পর্যন্ত পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা বা ইআইএ করা হয়নি। এ বিষয়ে নথিতে উত্তর দেয়া হয়েছে ‘না’। উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ উঁচুকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ ও রেগুলেটর নির্মাণের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পলি জমা, জলাভূমি, মৎস্যসম্পদ ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। ফলে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়া প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
প্রকল্পের প্রস্তাব আছে, বরাদ্দ নেই
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) অপু দেব গত ১৭ অক্টোবর প্রকল্প-সংক্ষিপ্তসারে স্বাক্ষর করেছেন। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধিত ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের পুরো ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে মেটানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বছরভিত্তিক ব্যয়ের পরিকল্পনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪২ কোটি ৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২০৯ কোটি ৬২ লাখ ৬৯ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ২৭৯ কোটি ৫৯ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৭৩ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। কিন্তু প্রকল্পটি এখনো অনুমোদন পায়নি। এডিপি ও আরএডিপিতে বরাদ্দও নেই।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








