
- নয়া দিগন্ত পাঠকদের ভালোবাসায় টিকে আছে : ডা. শফিক
- দুঃসময়ে সাহস জুগিয়েছে নয়া দিগন্ত : রিজভী
দেশের অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল ভূমিকা রাখা এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অটল প্রহরী হয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয়ে ২২তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছে ‘নয়া দিগন্ত’ পরিবার। এই আনন্দঘন ক্ষণকে বরণ করতে রাজধানীর টিকাটুলিস্থ নয়া দিগন্ত কার্যালয় দিনভর মুখরিত ছিল উৎসবের রঙে ও উষ্ণতায়। এর মধ্য দিয়ে পাঠকের দায়বদ্ধতা আবারও প্রমাণের সুযোগ পেল নয়া দিগন্ত।
দিনের শুরুতে কেক কেটে হয় শুভসূচনা। সময়ের সাথে সাথে সেই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে চার দিকের আঙিনায়। ক্ষমতাসীন দল বিএনপি, বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্য, সুশীলসমাজের প্রথিতযশা প্রতিনিধি, বরেণ্য লেখক, কবি-সাহিত্যিক, নিবেদিতপ্রাণ পাঠক ও নয়া দিগন্ত পরিবারের চিরচেনা মুখগুলোর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে কার্যালয় প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য মিলনমেলায় রূপ দেয়।
দিনভর চলে সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছার অনুপম আদান-প্রদান। কেউ এসেছিলেন রক্তিম ফুলে শুভেচ্ছা জানাতে, কেউবা হাতে মিষ্টির বাক্স নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ভালোবাসার প্রমাণ দিতে। অতিথিদের আপ্যায়নের উষ্ণতায় পিছিয়ে ছিল না আয়োজকরাও; ভালোবাসার প্রতিউত্তরে অতিথিদের মিষ্টিমুখ করানোর মধ্য দিয়ে রচিত হয় এক সুদৃঢ় সৌহার্দ্যরে সেতু- যেখানে কলমের কালির সাথে মিশে যায় হৃদয়ের সুনিবিড় টান। পাঠকদের ভালোবাসায় টিকে আছে নয়া দিগন্ত : ডা. শফিকুর রহমান
কেককাটা অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা শুনি, সব সরকারের সময় সংবাদপত্র পূর্ণ স্বাধীন। আবার যখন কোনো উল্টাপাল্টা কিছু হয়, যোগাযোগ করে বলে যে প্রচণ্ড চাপ। এই স্বাধীনতা আর চাপ- দুইটা তো একসাথে যায় না। ওই অদৃশ্য চাপটা যত দিন অব্যাহত থাকবে, কোনো অবস্থাতেই সংবাদপত্র বা সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন বলা যাবে না। তিনি বলেন, যে দেশে সংবাদমাধ্যম কালোকে কালো বলতে পারে নির্দ্বিধায়, সাদাকে সাদা বলতে পারে, সেই দেশ অবশ্যই ভালো দেশ এবং একটি সভ্য দেশ। আর যেখানে এটা বলতে পারে না, বুঝতে হবে যে আমরা পুরোপুরি এখনো সভ্য হতে পারিনি। আমরা পারিনি বলে পারব না- এই সূত্রে বিশ্বাস করতে চাই না। অতীতে যা পারিনি, ভবিষ্যতে তা আমাদের পারতে হবে।
নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠার পেছনে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, আমি আমার বক্তব্যের সূচনায় গভীর শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার যিনি স্বপ্নসারথি ছিলেন, মীর কাসেম আলীকে। আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদা দান করুন। তার সাথে আরো যে সব যোদ্ধা একত্র হয়ে লড়াই করেছিলেন এবং যারা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, আমি তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। যারা বেঁচে আছেন, আমি তাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে ময়দানে এসেছিল। নাম দিয়েছিল ‘নয়া দিগন্ত’। অর্থাৎ মুক্তির একটা দিগন্ত উন্মোচন হবে। চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে এবং অনেক অবৈধ চাপ সহ্য করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি টিকে আছে জনগণের ভালোবাসায়। আমরা প্রত্যাশা করি, এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জনগণের কল্যাণে তার নিজস্ব জায়গা থেকে সমাজের চতুর্থ স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে সঠিক ভূমিকা পালন করে চলবে, ইনশাআল্লাহ।
অতীতের কারাবাসের স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি দলের আমাদের একজন প্রখর সহযোদ্ধা এখানে উপস্থিত। ২০১৩ সালে একসাথে আমরা পাশাপাশি রুমে কাশিমপুর গেস্ট হাউজে ছিলাম। সকালবেলা আমাদের হাঁটাহাঁটি একসাথে হতো। মাঝেমধ্যে একটু কথা বিনিময়ের সুযোগ পেতাম। আবার আমরা একটু বেশি মিশলে তখনকার জালিম প্রশাসন এটা পছন্দ করত না। সেই সীমাবদ্ধতা আমাদের ছিল। কাজেই আমরা আসলে গোটা জাতির অগ্রভাগে থাকা সৈনিক হিসেবে সকলেই তখন মজলুম ছিলাম।
তিনি বলেন, মজলুমের মিলনমেলার এই বাংলাদেশে আমরা চাই না আর কেউ নতুন করে জুলুমের শিকার হোক। আর এটা তখন সম্ভব, যখন ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে সংবাদমাধ্যম চার চোখ দিয়ে দেখবে- বাইরের দু’টি চামড়ার চোখ এবং ভেতরের দু’টি অন্তর্দৃষ্টি। এই চারটা চোখ যখন সমানভাবে কার্যকর হবে, তখন সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই সোজা হয়ে চলতে বাধ্য হবে। আর এই দুই অংশ যখন সোজা হয়ে চলবে, দেশ তখন ভালো থাকবে এবং এগিয়ে যাবে। জামায়াত আমির বলেন, আমরা সেই মানুষের প্রত্যাশার বাংলাদেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, ন্যায়-ইনসাফের বাংলাদেশ, একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ এবং একটি শোষণ নয়- সুশাসনযুক্ত বাংলাদেশ কামনা করি।
জলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেয়া তরুণদের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ে যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছে, নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের আকাক্সক্ষা পূরণে আমরা সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করব। সংবাদপত্র আমাদের পাশে থাকবে, আমরা সংবাদপত্রের সাথে থাকব। নয়া দিগন্তের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নয়া দিগন্তকে ধন্যবাদ। আমি শুভকামনা করছি উত্তরোত্তর তার প্রবৃদ্ধি এবং তার সৎ সাহসের বিকাশের জন্য। আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি, তারা যেন নির্দ্বিধায়, নিঃসঙ্কোচে সত্যকে তুলে ধরতে পারে।
দুঃসময়ে সত্য প্রকাশ করে গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস জুগিয়েছে নয়া দিগন্ত : রুহুল কবির রিজভী
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে যখন গণতান্ত্রিক সঙ্কট ও দুঃশাসন বিরাজ করছিল, যখন মুক্তভাবে কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল না, তখন নয়া দিগন্ত সত্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছিল। নানা বাধা-বিপত্তি, শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি ও চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করে পত্রিকাটি গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত সময়ে দিনে কিংবা রাতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যখন গুম বা আটক করে নিয়ে যাওয়া হতো, তখন নয়া দিগন্তের অনলাইন সংস্করণে তাৎক্ষণিকভাবে সেই সংবাদ প্রকাশ করা হতো। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরবর্তী সময়ে তাদের হেফাজতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করতে বাধ্য হতো। এভাবে অনেক নেতাকর্মীর জীবন রক্ষা পেয়েছে এবং বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা সঙ্কুচিত হয়ে পড়েছিল। মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারত না। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নয়া দিগন্ত সত্য প্রকাশের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। নানা বাধা ও প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে পত্রিকাটি তার পথচলা অব্যাহত রেখেছে।
নয়া দিগন্তের সাহসী সাংবাদিকতার প্রশংসা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি ও নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে পত্রিকাটি গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় নয়া দিগন্তের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ভয়হীন ও শঙ্কামুক্ত। সেখানে কোনো নাগরিক কিংবা সংবাদকর্মীকে ভয়ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাতে হবে না। মানুষের অধিকার রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে নয়া দিগন্ত অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সততা ও সাহসিকতার সাথে ভূমিকা পালন করবে।
মোশাররফ হোসেন : দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘নয়া দিগন্ত সত্যের সাথে লড়াই করছে।’ তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে পত্রিকাটি সংবাদ পরিবেশন ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান ধরে রেখে পাঠকদের কাছে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পৌঁছে দেয়াই একটি সংবাদমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব। নয়া দিগন্তও সেই লক্ষ্য সামনে রেখে তার পথচলা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নয়া দিগন্ত নির্যাতিত ছিল। নয়া দিগন্তের লিখনির মধ্যে সততা রয়েছে।
ড. আব্দুল লতিফ মাসুম : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, আমার জীবন, সময় ও সংগ্রামের সাথে নয়া দিগন্ত একেবারেই মিশে গেছে, একেবারেই একাকার হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এই অবস্থাটি রাজনৈতিক অর্থে, আদর্শিক অর্থে ও সামষ্টিক অর্থে ব্যাখ্যা করা যায়। একজন সৎ ও নিরপেক্ষ একাডেমিক বুদ্ধিজীবীর জন্য সময়টা খুবই কঠিন। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কিংবা সমাজে তার স্বীকৃতি অর্জন করাও খুব কঠিন। ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, আপনারা দেখছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পরে মানুষের মনে যে আকাক্সক্ষা জেগেছিল, নয়া দিগন্ত আরো নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলবে। কিন্তু তার পিছুটান দেয়ার লোকেরও এখন অভাব নেই। যে অবস্থা ছিল, আমরা জানি সেই অবস্থায় আছে। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর আমরা আশা করেছিলাম, সংগ্রামের হয়তো খানিকটা ইতি হয়েছে। আমরা একটি নতুন দিনের দিকে যাত্রা শুরু করেছি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, নতুন দিনেও সঙ্কট ও সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।
ড. আব্দুল মজিদ : বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, কলামিস্ট ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম আব্দুল মজিদ বলেন, নয়া দিগন্ত ২২ বছরে পদার্পণ করেছে। নানা সঙ্কট ও সন্ধিক্ষণেও নয়া দিগন্ত কখনো বন্ধ হয়নি। ইত্তেফাক ভবনেরও একসময় দুর্দিন ছিল, কিন্তু নয়া দিগন্তের সেটি হয়নি। তিনি বলেন, আমি একজন নিয়মিত পাঠকের পাশাপাশি কলামিস্ট হিসেবে অর্থনীতি ও অন্যান্য বিষয়ে নয়া দিগন্তে লেখালেখি করি। ড. এম আব্দুল মজিদ বলেন, আজকের এই দিনে নয়া দিগন্তের সার্বিক সাফল্য, শুভযাত্রা ও নিজস্ব ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার শুভকামনা প্রকাশ করছি।
সেলিম উদ্দিন : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, নয়া দিগন্তের ২২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পরিবারের সব সদস্য, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমিও এই পরিবারের একজন সদস্য। তিনি বলেন, সংবাদপত্রকে যেমন রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়, তেমনি সমাজের দর্পণও বলা হয়। আয়নার সামনে দাঁড়ালে দর্পণ যেভাবে একজন মানুষের অবিকল চিত্র তুলে ধরে, কেউ পারুক আর না পারুক, নয়া দিগন্ত যেন এই সমাজের প্রকৃত চিত্র এবং রাজনীতিবিদদের প্রকৃত গল্প তুলে ধরে।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, নয়া দিগন্তের ২২তম বর্ষপূর্তিতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পক্ষ থেকে মহানগরীর সংগ্রামী আমির, শ্রদ্ধাভাজন জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপিসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সব নাগরিকের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমার ভালো মনে আছে, আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা যখন ছাত্র প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পালন করেছি, তখন নয়া দিগন্তের কর্ণধার ও স্বপ্নদ্রষ্টা মীর কাসেম আলী ভাই আমাদের নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রোগ্রামে বসেছেন। আমাদের সাথে কথা বলেছেন, আমাদের কথা শুনেছেন। আমরা তখন ছোট মানুষ ছিলাম, তারপরও তিনি আমাদের পরামর্শ নিয়েছেন। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, মীর কাসেম আলী আমাদের সামনে তিনটি কথা বলেছিলেন। প্রথমটি. নয়া দিগন্তের প্রথম স্লোগান ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। দ্বিতীয়ত. তার একটি লক্ষ্য ছিল একটি আদর্শিক জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা। আমরা যেন পৃথিবীর মানচিত্রে বলতে পারি, আমাদের একটি লক্ষ্য আছে, একটি আদর্শ আছে। তিনি বলেন, তৃতীয়ত. তার একটি স্বপ্ন ছিল, যেটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাস্তবায়িত হয়েছে। বিষয়টি এখনো আমার দৃঢ়ভাবে মনে পড়ে, চোখের সামনে ভাসে। নয়া দিগন্তের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে নয়া দিগন্ত যেকোনো ফ্যাসিবাদ ও জালিমের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে যেভাবে অতীতে দাঁড়িয়েছিল, এখনো দাঁড়িয়ে আছে, ভবিষ্যতেও দাঁড়িয়ে থাকবে। আমরাও তাদের পাশে থেকে এই বাংলাদেশকে এবং পত্রিকাটিকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাব।
তাজুল ইসলাম : বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, একটি পত্রিকার ২২ বছর পূর্তি নিঃসন্দেহে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নয়া দিগন্ত এমন একটি কঠিন সময়ে যাত্রা শুরু করেছিল, যে যাত্রার শুরুটা হয়তো কঠিন ছিল না। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিস্ট আমলের প্রায় ১৭ বছর তারা প্রচণ্ড সঙ্কটের মধ্য দিয়ে লড়াই করতে করতে আজকের এই পর্যায়ে এসেছে।
মোবারক হোসাইন : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন স্মৃতিচারণ করে বলেন, নয়া দিগন্তের স্বপ্নদ্রষ্টা মীর কাসেম আলী ভাইয়ের সাথে আমি দীর্ঘ বছর চাকরি করেছি। একেবারে সূচনালগ্নে তার সাথে ছিলাম। জেলখানায় তার সাথে সর্বশেষ ঈদের নামাজ পড়লাম, তার শহীদ হওয়ার কিছুদিন আগে। ওই সময় তিনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তা আমাদের সবার জন্য স্মরণীয়। মোবারক হোসাইন বলেন, আমি কাঁদছিলাম। তিনি আমার কাঁধে হাত দিয়ে অনেক জোরে বললেন, ‘তুমি তো সাহসী মানুষ, কেন কাঁদছ? কিছুই হবে না, হলেই বা কী, তোমরা তো আছো।’ এই বক্তব্যটি আমি অনেক জায়গায় দিয়েছি, আজ এখানেও দিলাম। তিনি বলেন, নয়া দিগন্ত ২২ বছর পার করেছে অনেক ইতিহাসকে সামনে রেখে এবং অনেক ঘটনাবহুল যাত্রায়। আমরা আশা করব, আগামীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অবস্থা বিরাজ করছে, সেখানে নয়া দিগন্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো বলেন, আমরা জানিয়ে দিতে চাই, আপনাদের সাথে এই জাতি আছে। ইনশাআল্লাহ, কোনো শক্তি আপনাদের অগ্রযাত্রা রোধ করতে পারবে না। তিনি নয়া দিগন্তের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করেন।
ড. রেজাউল করিম : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম বলেন, নয়া দিগন্ত পরিবার ২২ বছর আগে যে যাত্রা শুরু করেছিল, তার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব দিক থেকে দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য স্বাধীন সত্তার বিকাশ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং এ দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকে ধারণ করে নয়া দিগন্ত যে ভূমিকা পালন করেছে, সে জন্য আমরা তাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাই। এ জন্য এ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের যে প্রত্যাশা, সেটিকে ধারণ করে নয়া দিগন্ত আগামী দিনে গোটা বিশ্বব্যাপী তার সেই দিগন্ত উন্মোচিত করবে।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন : ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, আমাদের একান্ত আত্মার আত্মীয় নয়া দিগন্তের ২২তম বর্ষপূর্তিতে উপস্থিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ ও সাংবাদিক বন্ধুদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, অনেক চড়াই-উতরাই ও প্রতিকূলতার মাঝেও নয়া দিগন্ত সত্যের সাথে থেকে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে। সংবাদপত্রের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবাদপত্র হচ্ছে জীবনের দর্পণ। নয়া দিগন্ত যেভাবে সত্যের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, তা অনস্বীকার্য। সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, দেশ গঠনে আগামী দিনেও নয়া দিগন্ত যেন আরো বড় ভূমিকা পালন করতে পারে, সেই দোয়া ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
শিবির সভাপতি : ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে নয়া দিগন্তের ওপর চরম নিপীড়ন, জুলুম চালানো হয়েছে। নয়া দিগন্তের সাংবাদিকদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিজ্ঞাপনের সুযোগ-সুবিধা থেকে নয়া দিগন্তকে বঞ্চিত করা হয়েছে। নানাভাবে তাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এরপরও তারা তাদের কার্যক্রমগুলো ধারাবাহিকভাবে বজায় রেখেছে। রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নয়া দিগন্ত নামটাই ইটসেলফ একটা ব্রান্ড। নয়া দিগন্ত কী করতে চায় তা বলতে হয় না, নামটাই কাজের স্লোগান। হলুদ সাংবাদিকতা, মিডিয়া সিন্ডিকেট ও মিডিয়া মাফিয়াদের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠতার জায়গা থেকে নয়া দিগন্ত তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতেও তারা আন্দোলনের ধারা বজায় রাখবে, বস্তুনিষ্ঠতার জায়গা থেকে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করবে, সমাজের কথা বলবে এটাই প্রত্যাশা। সেই সাথে প্রত্যাশা করছি, আগামী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত ভূমিকা রাখবে।
ডাকসু জিএস : ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, নয়া দিগন্ত এক সময় তার পেজ সংখ্যা কমাতে বাধ্য হয়েছিল, কারণ তারা বিজ্ঞাপন পেতেন না। সেই সময়কার ফ্যাসিবাদী সরকার নয়া দিগন্তকে ধুঁকে ধুঁকে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। তিনি বলেন, স্টাফরা বেতন পাননি, কিন্তু তারপরও তারা খেয়ে-না খেয়ে এই পত্রিকাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ও এনসিসি ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসাইন বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের কঠিন প্রেক্ষাপটে নয়া দিগন্তের ভূমিকা ছিল অনন্য। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও পত্রিকাটি টিকে আছে। কত প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নয়া দিগন্ত আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে, তা পাঠক ও চিন্তাশীল ব্যক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন।
ডা. মোজাম্মেল হক : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেছেন, বাংলাদেশে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। এ লক্ষ্যে দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রতি সপ্তাহে একটি বিশেষ পাতা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, নয়া দিগন্তের কাছে আমার অনুরোধ, বাংলাদেশে কিভাবে কার্যকর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে প্রতি সপ্তাহে একটি পাতা প্রকাশ করা হোক। আমরা এটিকে একটি মিশন হিসেবে নিতে পারি।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি : নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দৈনিক নয়া দিগন্ত তার আদর্শ ও অবস্থান ধরে রেখেছে উল্লেখ করে জামায়াতের নায়বে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেছেন, নয়া দিগন্ত যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সে স্বপ্ন থেকে সরে যায়নি। প্রতিকূল পরিবেশেও পত্রিকাটি টিকে আছে, এটি নয়া দিগন্তের জন্য একটি বড় সাফল্য। পরিবেশ ভালো থাকুক কিংবা খারাপ, পক্ষে থাকুক কিংবা বিপক্ষে, নয়া দিগন্ত অতীতেও টিকে ছিল, আগামীতেও টিকে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, নয়া দিগন্তের জন্মই হয়েছে কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে। পত্রিকাটি যে উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে। তবে ২২ বছরের পথচলায় নয়া দিগন্ত কত দূর অগ্রসর হয়েছে, তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট মরহুম মীর কাসেম আলীর অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, নয়া দিগন্তের সাথে যার নাম জড়িত, আমাদের বীর কাসেম আলী ভাই।
হজ¦ ফাইন্যান্স কোম্পানি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুর রহমান বলেন, নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। নয়া দিগন্ত একটি প্রত্যাশা, একটি আশা-আকাক্সক্ষা এবং নতুন সূর্যোদয়ে নতুন স্বপ্নের নাম। তিনি বলেন, নয়া দিগন্ত কোটি কোটি মানুষের আশা-আকাক্সক্ষাকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করছি।
নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীর সার্বিক নির্দেশনায় কেক কাটা ও দিনভর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, বাংলাদেশ লেবারপার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ড. ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াসিন আরাফাত, প্রচার সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকার, মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুদ্দিন পারভেজ, মহাসচিব আবু হানিফ, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার, সুশীল ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদ, নয়া দিগন্তের জয়েন্ট নিউজ এডিটর খায়রুল বাসার, ডেপুটি এডিটর (সিটি) আশরাফুল ইসলাম, ডেপুটি এডিটর (রিপোর্টিং) আবু সালেহ আকন, দৈনিক সংগ্রামের জেনারেল ম্যানেজার আবুল হোসেন চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক শামসুল আরেফিন, চিফ রিপোর্টার নাছির উদ্দিন শোয়েব, খন্দকার গ্রুপের চেয়ারম্যান খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি, সাবেক কমিশনার খন্দকার আব্দুর রব, জনতা ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, সাংবাদিক ও কলামিস্ট রিন্টু আনোয়ার, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) কামারুম মুনিরা, বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া ইনচার্জ মুমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নয়া দিগন্তের সাহিত্য সম্পাদক জাকির আবু জাফর।
এ ছাড়াও ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় কনসিটোপিয়ারের পক্ষ থেকে সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার মোস্তফা কামাল রনি ও সালসাবিল সাদিয়া সিনথিয়া ও অ্যাসিস্ট্যান্ট মিডিয়া ম্যানেজার রিপন ইসলাম, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মিজানুর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ হামিদুর রহমান, দফতর সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মো: মোশারফ হোসেন ও কদমতলী থানার সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন হাওলাদার, জে ইউ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের স্বত্বাধিকারী মো: জসিম উদ্দিন, সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ফেরদৌস হোসেন রনি, ইনফো পাওয়ারের ইকরামুল কবির ধ্রুব ও জাকির হোসেন, বিডিডি এল, বিআরটিসি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বিকাশ, প্রাণ, বিটপী, ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, রিমার্ক হারল্যান লিলি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল, এরোস্পেস ইউনিভার্সিটি, ইস্তাম্বুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ম্যাক্স গ্রুপ, ওয়ালটন, স্টারকম, বিসিআইসি, দি বারাকা জেনারেল হাসপাতাল, হজ ফাইন্যান্স, কো অপারেটিভ বুক সোসাইটি।
আরো শুভেচ্ছা জানান, বাংলাদেশ সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা, ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ, সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিবহন অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সেন্টার সুপারভাইজার নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্রমজলিসের নেতৃবৃন্দ, সাওমির পিআর এজেন্সির প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ডিআরইউ নেতাদের শুভেচ্ছা : ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতারা শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, অফিস সম্পাদক রাশিম মোল্লা, সাংষ্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানাতে ক্রীড়া বিভাগের পক্ষ থেকে এসেছেন আরামবাগ ক্রীড়া সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক ও মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটির সেক্রেটারি ইয়াকুর আলী। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ আরেফ ব্যস্ততার কারণে আসতে পারেননি। তবে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








