
আনাদোলু
শিক্ষা খাতের সংস্কার, টিউশন ফি ও গণপরিবহনের অতিরিক্ত খরচ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নানা আর্থিক নীতি ও পুলিশি ধরপাকড়ের প্রতিবাদে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বেলজিয়াম। দেশটির রাজধানী ব্রাসেলসসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে শিক্ষার্থী ও তাদের সমর্থকেরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্রাসেলসে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি ও বেলজিয়ামের স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাসেলস-মিদি রেলস্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় মূল উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা নির্মাণকাজের বেড়া ভেঙে সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়েন। জবাবে টিয়ারগ্যাস ও জলকামান প্রয়োগ করে পুলিশ সদস্যরা ধীরে ধীরে তাদের হটিয়ে দিতে থাকেন। এর আগে সকালে ব্রাসেলস সেন্ট্রাল স্টেশনের সামনে বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে কয়েক ‘শ লোক একত্রিত হন। প্রাথমিকভাবে অনুমতি না মিললেও পরবর্তীতে তল্লাশি সাপেক্ষে তাদের মিদি স্টেশনের দিকে অগ্রসর হতে দেয় পুলিশ। মূলত গত ৯ অক্টোবর ট্রেড ইউনিয়নের এক সমাবেশে পুলিশের সাথে হাতাহাতির জের ধরে আজ এই নতুন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি রূপ নেয়। একই সময় বেলজিয়ামের লিয়েজ শহরে লিয়েজ-গুইয়েমিনস রেলস্টেশনের সামনে অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ শ্রমিক একত্রিত হন। তবে সেখান থেকে একটি শান্তিশৃঙ্খলাপূর্ণ মিছিল নিয়ে শহরের কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হন অংশগ্রহণকারীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক বৈষম্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে অর্থাভাবে বহু তরুণের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি ফ্রান্সে চলমান মূল্যস্ফীতিবিরোধী আন্দোলনের সাথেও সংহতি প্রকাশ করেছেন বেলজিয়ামের এই বিক্ষোভকারীরা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








