ভারতীয় দূতাবাসের অনুষ্ঠানে মুক্তি-সমরজিৎ
ভারতীয় দূতাবাসের অনুষ্ঠানে মুক্তি-সমরজিৎ।

 বিনোদন রিপোর্ট 
ভারত তথা উপমহাদেশের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী কিশোর কুমার, মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কালজয়ী কিছু গান নিয়ে বিশেষ আয়োজন করে বাংলাদেশস্থ ভারতীয় দূতাবাস। কিংবদন্তি এই তিন গুণী শিল্পীকে নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয় ‘এ মিউজিক্যাল ইভিনিং উইথ লিজেন্ডস : এ ট্রিবিউট টু লতা মুঙ্গেশকর, কিশোর কুমার অ্যান্ড মান্না দে’। রাজধানীর বারিধারার পার্ক রোডে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের ইন্ধিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে গত ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টায় এই বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের গুণী নাট্যনির্মাতা, নাট্যরচয়িতা ও উপস্থাপক কৌশিক শঙ্কর দাসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কমিউনিটি অ্যান্ড কালচার) প্রাণসু শর্মা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান হাইকমিশনার শ্রী পবনকুমার বঢ়ে। সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সেকেন্ড সেক্রেটারি প্রাণসু শর্মা মঞ্চে আহ্বান জানান প্রধান অতিথিকে তার বক্তব্য দেয়ার জন্য। প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার পবনকুমার বঢ়ে বলেন, ‘ভারতের তিনজন বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীর প্রতি সঙ্গীতময় শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। এই অসাধারণ তিন সঙ্গীতশিল্পী এক অবিস্মরণীয় সঙ্গীত ঐতিহ্য রেখে গেছেন। এই তিন গুণী শিল্পী ভারত থেকে বিভিন্ন সময়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় যেমন ভূষিত হয়েছেন। ঠিক তেমনি কোটি কোটি সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতা দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন।  তাদের গাওয়া কিছু গান নিয়েই বাংলাদেশের দুই শিল্পীর কণ্ঠে বিশেষ এই আয়োজন।’ প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মঞ্চে শুরুতেই প্রথম সঙ্গীত পরিবেশন করেন সমরজিৎ রায়। তিনি মূলত মান্না দে এবং কিশোর কুমারের গান পরিবেশন করেন। সমরজিতের সঙ্গীত পরিবেশন শেষে মঞ্চে উঠে আসেন অনুপমা মুক্তি। তিনি মূলত লতা মুঙ্গেশকরের গানগুলো পরিবেশন করেন। এরপর দু’জন দ্বৈত কিছু গান পরিবেশন করেন। যার মধ্যে ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ ও  ‘তেরে বিনা জিন্দেগি’ গান দু’টি উপস্থিত শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন। অনুমপা মুক্তি বলেন, ‘আমার শরীরটা একটু খারাপ ছিল। যে কারণে গান পরিবেশনার ফাঁকে ফাঁকে বারবার ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরও যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি সবগুলো গান ভালোভাবেই গাইতে। ভারতীয় দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার, সেকেন্ড সেক্রেটারিসহ অন্যান্য সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’ সমরজিৎ রায় বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনে গাইতে একটু বেশিই ভালো লাগে, কারণ এ ধরনের আয়োজনে মনের মতো শ্রোতা পাওয়া যায় যারা মন দিয়ে গানটা উপভোগ করেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা শান্তনু দাদাসহ এই আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত সবার প্রতি।

Advertisement