
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত নন-এমপিও প্রতিনিধি সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সম্মেলনে নন-এমপিও শিক্ষকরা বলেন, ‘আমাদের চাকরি আছে, বেতন নেই। আমরা ২০-২৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছি, কিন্তু একটি টাকাও বেতন পাই না। পরিবারের সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারি না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারছি না। আপনাদের মাধ্যমে আমাদের দাবি তাঁর কাছে পৌঁছাবে। আমাদের দাবি একটাই- নন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করতে হবে।’
প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু ও রফিকুল ইসলাম হিলালী।
এসময় সেলিম ভুঁইয়া বলেন, নন-এমপিও শিক্ষকরা কোনো বেতন ছাড়া শিক্ষা প্রদান করছেন, যার ফলে তাদের পরিবার অনাহারে ও অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে (৫ই অক্টোবর) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই মানবিক সংকট সমাধানের কথা বলা হয়েছিল। শিক্ষা জাতির মেরুদ- হলে শিক্ষক হলো শিক্ষার মেরুদ-। শিক্ষকদের অবহেলায় রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা কিংবা দেশের সার্বিক উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করতে মোট কত অর্থের প্রয়োজন, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব আগেই তৈরি করা আছে। সরকার প্রয়োজনে ১৫ দিন, এক মাস, দুই মাস বা তিন মাস, যে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে এমপিওভুক্তির স্পষ্ট ঘোষণা প্রদান করতে পারে। যেহেতু নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত, তাই নতুন করে শর্ত আরোপের কোনো যৌক্তিকতা নেই। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমে এলে তার দায়ভার সরকার নেবে না, সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী ২৭ তারিখের স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে শিক্ষকদের বিষয়টি অ্যাজেন্ডা হিসেবে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








