জলবায়ু ঝুঁঁকির দেশগুলোর জন্য ৪০ বছর মেয়াদি ঋণের প্রস্তাব

আশরাফুল ইসলাম, ব্যাংকক থেকে
বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থানের সঙ্কট ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার মাঝে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে নতুন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সাথে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে সৃষ্ট বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে বিশ্বব্যাংকের কাছে আর্থিক সহায়তা ও সুরক্ষাব্যবস্থা চেয়েছে সরকার। এ ছাড়া ব্যাংক খাতের সংস্কার, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারে রয়েছে। 
অন্য দিকে  জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁঁকিতে থাকা বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের চাপ কমাতে ঋণের মেয়াদ ৪০ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব উঠেছে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভায়। প্রচলিত উন্নয়ন অর্থায়নব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করে দীর্ঘমেয়াদি ও তুলনামূলক সহজ শর্তের ঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন জলবায়ু ঝুঁঁকিতে থাকা দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা। পাশাপাশি এশিয়ায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগও গুরুত্ব পেয়েছে এবারের আলোচনায়। 
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা। আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ সম্মেলন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী ও অর্থনীতিবিদেরা অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। 
এবারের সভায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রস্তাবিত সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থায়ন নিয়ে আইএমএফের সাথে আলোচনা, বিশ্বব্যাংকের সাথে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কাঠামো নির্ধারণ এবং জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয় মোকাবিলায় অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা। তবে নতুন ঋণের পরিমাণ, শর্ত ও অনুমোদনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। 
জ্বালানি ব্যয় মেটাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা 
বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানিবাজারের উচ্চমূল্যের কারণে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার ঝুঁঁকি তৈরি হয়েছে। জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে অতিরিক্ত ডলার ব্যয় হলে তা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। একই সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন, শিল্পকারখানা ও পণ্য সরবরাহের ব্যয় বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতিকে আরো উসকে দিতে পারে।
এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্বব্যাংকের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থাটির সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার বার্ষিক সভাস্থলে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের সহযোগিতা কেবল চলমান প্রকল্পের অর্থায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে বাড়তি ব্যয়ের চাপ মোকাবেলায়ও কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন। এ জন্য একটি আর্থিক সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে। 
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেছে। তবে প্রস্তাবিত সহায়তা ঋণ, অনুদান নাকি অন্য কোনো আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হবে, কী পরিমাণ অর্থ পাওয়া যেতে পারে এবং অর্থ ছাড়ের শর্ত কী হবে- সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। জ্বালানি ব্যয় সামাল দিতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা চাওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার এবং দেশীয় বিকল্প উৎসের উন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। 
আইএমএফের সাথে নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনা 
নতুন অর্থায়নের বিষয়ে আইএমএফের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যে সংস্থাটির সাথে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে এবং মঙ্গল অথবা বুধবার আরো একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত সাড়ে চার বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন নিয়ে আলোচনার অগ্রগতি, সম্ভাব্য ঋণের শর্ত কিংবা অর্থ ছাড়ের সময়সূচি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানাননি। 
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য এবং বাজেটের ওপর চাপের প্রেক্ষাপটে আইএমএফের সাথে এই নতুন অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। অর্থায়ন চূড়ান্ত হলে তা বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে সহায়ক হতে পারে। তবে আইএমএফের ঋণ সাধারণত সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, মুদ্রানীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কারের সাথে জড়িত থাকে। ফলে নতুন অর্থায়ন চুক্তির ক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণের পাশাপাশি নীতিগত শর্ত ও বাস্তবায়নের সক্ষমতাও বিবেচনায় নিতে হবে। 
নতুন অংশীদারত্ব কাঠামোয় বিশ্বব্যাংক 
বিশ্বব্যাংকের সাথে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতা আরো সুসংগঠিত করতে একটি অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, চুক্তিটি চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও বিশ্বব্যাংকের চলমান সহায়তা ও প্রকল্পগুলোয় কোনো জটিলতা নেই। 
বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, বিশুদ্ধ বায়ু, অবকাঠামো ও জনসেবাসহ বিভিন্ন খাতে একাধিক প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। তবে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে সঠিক প্রকল্প নির্বাচন, অর্থের যথাযথ ব্যবহার, বাস্তবায়নের গতি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর। 
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশল 
অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কৌশল নিয়ে কাজ করছে সরকার। আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিই এ কৌশলের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীর।
সোমবার ব্যাংককে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, সরকারের সংস্কার কর্মসূচির মৌলিক লক্ষ্যগুলোর সাথে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের প্রস্তাবের নীতিগত সামঞ্জস্য রয়েছে। ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও ঋণসংক্রান্ত বিশৃঙ্খলার দায়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন অত্যন্ত জরুরি। খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, ঋণ বিতরণে সুশাসন এবং ব্যাংকের মূলধন পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া নতুন বিনিয়োগের অর্থায়ন সম্ভব নয়। 
রাজস্ব আয় বাড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ 
বাংলাদেশের অর্থনীতির দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলোর একটি হলো মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর আদপ্সয়ের নিম্নহার। কর অব্যাহতি, কর ফাঁকি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সরকারের আয় সীমিত থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয়নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ে। 
রাশেদ আল তিতুমীর জানান, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তবে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে শুধু করের হার বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; বরং করের আওতা সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর ফাঁকি রোধ করা জরুরি। 
বন্ধ কারখানা চালু ও নতুন বিনিয়োগ 
বন্ধ কলকারখানা আবার চালু করা এবং নতুন বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বিশেষ অর্থায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। এ সময় তিনি ৭ শতাংশ ঋণাত্মক সুদে অর্থায়নের একটি বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। তবে এ ব্যবস্থার আওতা, সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। 
বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করছে সরকার। ইতোমধ্যে চীনের বিনিয়োগ শুরু হয়েছে এবং জাপানের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সাথেও আলোচনা হয়েছে। তা ছাড়া থাইল্যান্ডের সাথে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্যপণ্য উৎপাদন এবং চট্টগ্রাম ও রেনং বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। 
জলবায়ু ঝুঁঁকির দেশগুলোর জন্য ৪০ বছর মেয়াদি ঋণ 
বার্ষিক সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল জলবায়ু ঝুঁঁকিতে থাকা দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের চাপ কমানো। ১৭তম ভি২০ মিনিস্টারিয়াল কমিউনিক থেকে উন্নয়ন অর্থায়নের প্রচলিত কাঠামোর সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জলবায়ু ও উন্নয়ন সঙ্কটকে কেবল অর্থের ঘাটতি হিসেবে না দেখে এটিকে ন্যায়বিচার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থের সাথে বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে পানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদে সুফল দিলেও অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ বছর মেয়াদি ঋণ দেয়া হয়, যার ফলে ঋণ পরিশোধের অতিমাত্রিক চাপ তৈরি হয়। এ প্রেক্ষাপটে জলবায়ু ঝুঁঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য ৪০ বছর মেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করার জোরালো প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। 
উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের উদ্বেগ 
বার্ষিক সভার আলোচনায় এশিয়ার তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। আইএমএফের গবেষণার তথ্যানুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার শ্রীলঙ্কায় প্রায় ৪৩ শতাংশ, ভারতে ৪২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে প্রায় ৩৬ শতাংশ; অর্থাৎ উচ্চশিক্ষা অর্জন করেও যুবসমাজের একটি বড় অংশ যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরি পাচ্ছেন না। 
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করলেও শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রযুক্তির যথাযথ সমন্বয় না ঘটলে চাকরির বাজারে সঙ্কট আরো ঘনীভূত হতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম আধুনিক যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার কোনো বিকল্প নেই। 
ব্যাংককে চলমান আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশের সামনে এক দিকে নতুন অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব জোরদারের সুযোগ তৈরি হয়েছে; অন্য দিকে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের মতো বড় চ্যালেঞ্জও স্পষ্ট হয়েছে। সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কেবল বিদেশী সহায়তার প্রতিশ্রুতি নয়, বরং কার্যকর সংস্কার, স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

Advertisement