
- দণ্ডিত ৬৮ জনের মধ্যে ৪৭ জন পলাতক
- ৭০টির বেশি মামলা বিচারাধীন
আগামী ১৪ অক্টোবর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার সামনে রেখে পুনর্গঠিত এই ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এসব রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ২৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি একটিও মৃত্যুদণ্ড।
ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পাশাপাশি দণ্ডিত আসামিদের গ্রেফতার, পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আপিলসহ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত দণ্ড কার্যকরের বিষয়গুলো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দণ্ডিত ৬৮ জনের মধ্যে ৪৭ জনই পলাতক। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২৩ জনের মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন মাত্র চারজন। অন্য দিকে ৭০টির বেশি মামলা বিচারাধীন এবং প্রসিকিউশনে জমা পড়েছে প্রায় ৬০০টি অভিযোগ।
ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমে অগ্রগতি হলেও রায় বাস্তবায়ন ও মামলার নিষ্পত্তির গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ, অনেক মামলায় এখনো অভিযোগ গঠন হয়নি, আবার কোনো কোনো মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করতেও বিলম্ব হচ্ছে। তারা দ্রুত বিচার শেষ করা, পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ঘোষিত রায় বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন।
অন্য দিকে প্রসিকিউশনের বক্তব্য হচ্ছে, বিচার শেষে রায় ঘোষণা ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব। আপিল নিষ্পত্তি এবং চূড়ান্ত দণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারিক ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ফলে মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত হলেই তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়।
সাত মামলায় ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে। এরপর ট্রাইব্যুনাল-১ ও ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিচার শুরু হয়। এ পর্যন্ত ঘোষিত সাতটি রায়ে ২৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন এবং ৩৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া একজনের হাজতবাসকে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রাজসাক্ষী হওয়ায় একজনকে ক্ষমা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সর্বশেষ গত ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই হত্যাকাণ্ডের একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ নিয়ে সাতটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং পুলিশের কয়েকজন সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পলাতক আসামিদের ফেরানো বড় চ্যালেঞ্জ
দণ্ডিতদের একটি বড় অংশ পলাতক থাকায় বিচারিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো এগিয়ে নেয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ৬৮ জন দণ্ডিতের মধ্যে ৪৭ জন এখনো পলাতক। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২৩ জনের মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন মাত্র চারজন। বিদেশে অবস্থানরত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা, প্রত্যর্পণ আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শেষে রায় ঘোষণা প্রসিকিউশন ও ট্রাইব্যুনালের কাজের অংশ। কোনো রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে তা নিষ্পত্তির দায়িত্ব উচ্চ আদালতের। আর চূড়ান্তভাবে কার্যকরযোগ্য সাজা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নির্বাহী কর্তৃপক্ষের।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের দুই বছরের কার্যক্রম সম্পর্কে তারা সন্তুষ্ট। গত বছর যে গতিতে কাজ এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল, সেই গতি বজায় রেখেই তারা এগোচ্ছেন। বর্তমান সরকার জুলাইয়ের বিচারপ্রক্রিয়ায় সব ধরনের সহযোগিতা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আপিল দায়েরের পর ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে মামলার চাপসহ বিভিন্ন কারণে অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে না বলে প্রসিকিউশনের দাবি। ফলে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পরও আপিল ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাজা কার্যকরের প্রশ্নে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। একই সাথে পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বাধা হয়ে রয়েছে।
পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর অনেক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া আসামিদের সরাসরি অন্য দেশে গিয়ে গ্রেফতার করার আইনি এখতিয়ার পুলিশের নেই। পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোল এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় আইনি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিচারাধীন মামলার চাপ বাড়ছে
পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে অভিযোগের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ২০০৯ সাল থেকে সংঘটিত গুম ও খুনের ঘটনাগুলোও বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৬০০টি অভিযোগ জমা রয়েছে। সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হলেও ৭০টির বেশি মামলা বিচারাধীন। এসব মামলার অনেকগুলো সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
ফলে নতুন অভিযোগের তদন্ত, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং বিচার শেষ করার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশনের ওপর চাপ বাড়ছে। জনবলসঙ্কট, অভিযোগ যাচাই এবং বিপুলসংখ্যক মামলার বিচার পরিচালনার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের লক্ষ্যে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ওই ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আসে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি। মওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলেও তিনি দেশে ছিলেন না। মামলাটি উচ্চ আদালতের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াতের তৎকালীন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। পরবর্তী সময়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাসেম আলী এবং বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হয়। ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীর দণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে ওই পর্যায়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শেষ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আগের ট্রাইব্যুনালে ৫৬টি মামলার রায় হয়েছিল। এসব মামলায় ১৯৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয় এবং দু’জন খালাস পান। তাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আরো ৭৫ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন বলে একটি খসড়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগের ট্রাইব্যুনালের অভিজ্ঞতার সাথে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রায় ঘোষণার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি, আসামিদের গ্রেফতার এবং চূড়ান্ত সাজা কার্যকরের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাজা নিয়ে আপিল, ভুক্তভোগীদের অসন্তোষ
পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাজা নির্ধারণের ধরন নিয়েও আলোচনা রয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিমের মতে, আগের ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার প্রবণতা বেশি ছিল। বর্তমান ট্রাইব্যুনালে অপরাধের ধরন, ব্যক্তিগত ভূমিকা ও সম্পৃক্ততা বিবেচনায় বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেয়া হচ্ছে।
চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার মামলায় কনস্টেবল সুজন হোসেন সরাসরি গুলি চালালেও ট্রাইব্যুনাল তাকে তুলনামূলক কম সাজা দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ পালনের বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে প্রসিকিউশনের বক্তব্য। তবে সুজনের সাজা বাড়ানোর জন্য প্রসিকিউশন আপিল করেছে। একইভাবে কুষ্টিয়ার একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সাজা বাড়ানোর জন্যও আপিল করা হয়েছে।
অন্য দিকে বিচারকাজের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শাফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফের মা সাফাত সিদ্দিকী পারভীন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ফায়ার সার্ভিসের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আহনাফ।
ছেলের স্মৃতিচারণ করে তার মা নয়া দিগন্তকে বলেন, ছেলে সব সময় বলত, বড় হয়ে এমন কিছু করবে, যাতে পরিবার তাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে। ছেলের মৃত্যুতে পরিবার গর্বিত হতে চায়নি; তারা হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখতে চায়।
সাফাত সিদ্দিকী পারভীন বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বিচারকাজ এগোয়নি, কারণ শুরুতেই দেরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জনবলসঙ্কট থাকা সত্ত্বেও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক সরকার আসার পর তা ধীরগতির হয়ে পড়েছে।’
আহনাফ হত্যা মামলাটি এখন অভিযোগ গঠনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর ভুক্তভোগীরা দ্রুত সাজা কার্যকর হতে দেখলে সন্তুষ্ট হন। তবে একই সাথে নিশ্চিত করতে হবে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানি বা অন্যায়ের শিকার না হন।
সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ
ট্রাইব্যুনালের দুই বছরের কার্যক্রম নিয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হলেও সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে- বিচারাধীন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনা এবং চূড়ান্তভাবে কার্যকরযোগ্য রায় বাস্তবায়ন।
এর সাথে রয়েছে বিপুলসংখ্যক অভিযোগ যাচাই, তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণের চাপ, জনবলসঙ্কট এবং আপিল নিষ্পত্তির দীর্ঘসূত্রতা। বিচারপ্রক্রিয়ায় গতি আনতে এসব বাধা দূর করার পাশাপাশি প্রতিটি মামলায় ন্যায়বিচার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি।
কারণ, বিচার শুধু রায় ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অপরাধের নিরপেক্ষ বিচার, আপিলের সুযোগ, দণ্ডিত আসামিদের আইনের আওতায় আনা এবং আইনানুগভাবে চূড়ান্ত রায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই বিচারপ্রক্রিয়ার পূর্ণতা আসে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








