হোম অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত


দেশের হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের বিকাশে উন্নত প্যাকেজিং, কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও নীতিসহায়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা। 
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হোম অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্স’-এ এসব বিষয় উঠে আসে। সম্মেলনে বলেন, প্যাকেজিং শিল্পের টেকসই বিকাশে কাঁচামাল আমদানিতে করের চাপ পর্যালোচনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতিসহায়তা দেশীয় শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতার শক্তি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
তাদের মতে, হোম ও পার্সোনাল কেয়ার এবং কসমেটিকস শিল্পের জন্য আগামী পাঁচ বছরের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে তা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। এ জন্য দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালার উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং কাঁচামাল আমদানিতে করের চাপ কমানোর প্রয়োজন রয়েছে। সম্মেলনে অনলাইন বাজারে নকল ও মানহীন পণ্য বিক্রির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের পণ্য ভোক্তাদের আস্থা ক্ষুণœ করার পাশাপাশি মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করে। এজন্য বাজার তদারকি, মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। বক্তারা মনে করেন, উৎপাদক, কাঁচামাল সরবরাহকারী, প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সেবাদাতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের প্রবৃদ্ধি আরো গতিশীল হবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর নীতিসহায়তার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের এ খাতকে আরো শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নেয়া সম্ভব। বিজ্ঞপ্তি।

Advertisement