
জাহাঙ্গীর আলম, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এতে নদীতীরবর্তী ফসলি জমি, বসতভিটা ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের একাধিক অভিযান ও জরিমানা সত্ত্বেও বালু উত্তোলন বন্ধ না হওয়ায় প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে লিখিত আবেদন করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো: জহিরুল ইসলাম মবিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাহেবের চর হাজীবাড়ি এলাকার বিপরীত পাশে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের অপর পাড় থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে একটি চক্র। অভিযোগ রয়েছে, বালু উত্তোলনের সময় নদীর পাড় কেটে নেয়ায় নদীতীরবর্তী কৃষিজমি, বসতভিটা ও অন্যান্য স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়ছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে নদীর তলদেশ গভীর হওয়া ও তীর দুর্বল হয়ে ভাঙনের সৃষ্টি করছে।
স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের সাথে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত থাকায় কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তাদের দাবি, কিছু কৃষকের উর্বর জমির মাটিও নামমাত্র মূল্যে কেটে নেয়া হচ্ছে।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মবিন বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে কৃষিজমি, বসতভিটা ও জনসম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। এ অবস্থা বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন তিনি।
হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন বলেন, সম্প্রতি অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে বাহার উদ্দিনসহ কয়েকজনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তবে নদীর ওই তীরবর্তী এলাকা দুর্গম এবং ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার দক্ষিণাংশের অধীন হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা আগেই পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর দাবি, নদীভাঙন ও জনসম্পদের ক্ষতি রোধে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হোক।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








