
বিশেষ সংবাদদাতা
বাগেরহাটের রামপালে ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ (বিইএসএস) ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অন্যতম বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হবে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৫০২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে দুই হাজার ১২৭ কোটি টাকা পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকে এবং ৩৭৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বিপিডিবির নিজস্ব অর্থায়ন থেকে দেয়া হবে।
প্রকল্পটির অন্যতম আকর্ষণ হলো, সৌরবিদ্যুতের সাথে ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা যুক্ত থাকবে। দিনের বেলায় উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ ব্যাটারিতে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময়ে ব্যবহার করা যাবে। ফলে সূর্যের আলো না থাকা কিংবা উৎপাদন কমে যাওয়ার সময় সৌরবিদ্যুতের সরবরাহ কিছুটা স্থিতিশীল রাখার সুযোগ তৈরি হবে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ছয় টাকা ১৮ পয়সা।
৬৮৫ একর জমিতে সৌর কেন্দ্র
বিপিডিবি ২০১২ সালে রামপালে মোট এক হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করে। জমিটি এ ও বি- দুই ব্লকে বিভক্ত। ব্লক-এতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি লিমিটেডের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্লক-বি বিপিডিবির অধীনে।
ব্লøক বি’র মোট ৯১৮ দশমিক ৫০ একর জমির একটি অংশ গ্রিনবেল্ট, বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ ও লেকের জন্য নির্ধারিত। সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় এ ব্লকের ৬৮৫ একর জমি ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য উপযুক্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় ভূমি উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজের বড় অংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে নতুন করে বড় ধরনের ভূমি উন্নয়ন ব্যয় প্রয়োজন হবে না। এতে প্রকল্পের মোট ব্যয় তুলনামূলক কম রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিপিডিবির হিসাবে, প্রতি মেগাওয়াট স্থাপনে প্রকল্প ব্যয় প্রায় পাঁচ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
যৌথ উদ্যোগ থেকে সরকারি প্রকল্প
প্রাথমিকভাবে রামপালের এ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে ২০১০ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে নেয়া কার্যক্রম এবং পরবর্তী সময়ে আইনটি বাতিল হওয়ায় ওই প্রক্রিয়া আর এগোয়নি।
পরবর্তী সময়ে অবকাঠামো বিনিয়োগ সহায়তা কোম্পানি (আইআইএফসি) ২০২৫ সালের মে মাসে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে। সমীক্ষায় ৬৮৫ একর জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াটের গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সুপারিশ করা হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশও করা হয়েছে, যাতে বিদ্যুতের দাম প্রতিযোগিতামূলক রাখা যায়।
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বিদ্যুৎ
প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে শূন্য দশমিক ৮ কিলো ভোল্ট থেকে ৩৩ কিলো ভোল্ট এবং পরে ২৩০ কিলো ভোল্টে উন্নীত করা হবে। এরপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানির ৪০০/২৩০ কিলো ভোল্ট সাবস্টেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এ জন্য একটি নতুন সাবস্টেশন এবং প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ২৩০ কিলো ভোল্ট সঞ্চালন লাইন নির্মাণের প্রয়োজন হবে।
সোনাগাজীর চেয়ে ইউনিট-প্রতি দাম কম
রামপাল প্রকল্পের অর্থনৈতিক দিকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- এর প্রস্তাবিত বিদ্যুতের দাম ফেনীর সোনাগাজীর ২২০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সোনাগাজী প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় এক হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা এবং ইউনিট-প্রতি বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে আট টাকা ৮৭ পয়সা। বিপরীতে রামপাল প্রকল্পে প্রস্তাবিত দাম ছয় টাকা ১৮ পয়সা। অর্থাৎ সোনাগাজীর তুলনায় রামপালের প্রস্তাবিত ইউনিট-প্রতি দাম দুই টাকা ৬৯ পয়সা কম। শতাংশের হিসাবে সোনাগাজীর দাম রামপালের চেয়ে প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি। তবে সক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র রয়েছে। সোনাগাজীর ক্যাপাসিটি ইউটিলাইজেশন ফ্যাক্টর ধরা হয়েছে ২১ শতাংশ, যেখানে রামপালের ক্ষেত্রে ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ কম ইউনিট-প্রতি দামের পাশাপাশি রামপাল প্রকল্পে প্রত্যাশিত উৎপাদন সক্ষমতার ব্যবহার তুলনামূলক কম।
সোনাগাজীতে প্রতি মেগাওয়াট স্থাপনে ব্যয় প্রায় ছয় কোটি ২৭ লাখ টাকা। রামপালে এ ব্যয় প্রায় পাঁচ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
কয়লা ও আদানির চেয়ে অর্ধেকের কাছাকাছি
রামপাল সৌর প্রকল্পের অর্থনৈতিক আকর্ষণ আরো স্পষ্ট হয় বিদ্যুতের সাম্প্রতিক দাম তুলনা করলে। নতুন ৪৪২ মেগাওয়াট রামপাল সৌর প্রকল্পের প্রস্তাবিত দাম ছয় টাকা ১৮ পয়সা ইউনিট-প্রতি। বিপরীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বর্তমান রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্ধারিত/রিভিউ করা দাম প্রায় ১৩ টাকা ৫৭ পয়সা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আদানি পাওয়ার থেকে বাংলাদেশ যে বিদ্যুৎ কিনেছে, তার গড় প্রকৃত ক্রয়মূল্য ছিল ১৪ টাকা ৮৬ পয়সা ইউনিট-প্রতি।
অর্থাৎ-
বিদ্যুৎ উৎস ইউনিট-প্রতি দাম।
নতুন রামপাল সৌর ৬.১৮ টাকা।
রামপাল কয়লা ১৩.৫৭ টাকা।
আদানি ১৪.৮৬ টাকা ।
রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের তুলনায় সৌরবিদ্যুতের প্রস্তাবিত দাম ইউনিট-প্রতি সাত টাকা ৩৯ পয়সা কম, অর্থাৎ প্রায় ৫৪.৫ শতাংশ কম। আদানির বিদ্যুতের তুলনায় পার্থক্য আরো বেশি- ইউনিট-প্রতি আট টাকা ৬৮ পয়সা, অর্থাৎ প্রায় ৫৮.৪ শতাংশ কম। অন্যভাবে বললে, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের দাম সৌর প্রকল্পের প্রায় ২.২০ গুণ, আর আদানির বিদ্যুতের দাম প্রায় ২.৪০ গুণ।
বছরে প্রায় ৪৮৮ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা
এই পার্থক্যের আর্থিক প্রভাব আরো স্পষ্ট হয় সম্ভাব্য বার্ষিক উৎপাদনের হিসাবে। রামপাল সৌর প্রকল্পে সক্ষমতা ব্যবহারের হার ১৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। ৪৪২ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতার ভিত্তিতে এতে বছরে সম্ভাব্য উৎপাদন দাঁড়ায় প্রায় ৬৫.৯৩ কোটি ইউনিট।
প্রস্তাবিত ছয় টাকা ১৮ পয়সা ইউনিট-প্রতি দরে এ পরিমাণ বিদ্যুৎ কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ৪০৭ কোটি টাকা। একই পরিমাণ বিদ্যুৎ রামপাল কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের ১৩ টাকা ৫৭ পয়সা ইউনিট-প্রতি দরে কিনলে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৮৯৫ কোটি টাকা।
ফলে একই পরিমাণ বিদ্যুতের ক্ষেত্রে রামপাল সৌর প্রকল্পের তুলনায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতে বছরে প্রায় ৪৮৮ কোটি টাকা বেশি ব্যয় হতে পারে।
আদানির ১৪ টাকা ৮৬ পয়সা ইউনিটপ্রতি গড় ক্রয়মূল্য ধরে একই পরিমাণ ৬৫.৯৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে ব্যয় হতো প্রায় ৯৭৯ কোটি টাকা। সে ক্ষেত্রে রামপাল সৌরের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরকেন্দ্রটি প্রাক্কলিত ১৭ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহারের হারে উৎপাদন করতে পারলে একই পরিমাণ বিদ্যুতের তুলনায়- রামপাল কয়লার ক্ষেত্রে বছরে প্রায় ৪৮৮ কোটি টাকা, আদানির ক্ষেত্রে বছরে প্রায় ৫৭২ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটিকে সরাসরি নিশ্চিত নগদ সাশ্রয় হিসেবে দেখা যাবে না। কারণ ছয় টাকা ১৮ পয়সা হলো প্রকল্পের প্রস্তাবিত ট্যারিফ। প্রকল্প বাস্তবায়নের পর প্রকৃত উৎপাদন, ব্যাটারি ব্যবহারের হার, ব্যাটারির অবক্ষয়, প্রতিস্থাপন ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং সঞ্চালন ব্যয়ের ওপর প্রকৃত অর্থনৈতিক ফল নির্ভর করবে।
একক মাপের তুলনা নয়
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- তিনটি দাম একই ধরনের ব্যয়ের পরিমাপ নয়। রামপাল সৌর প্রকল্পের ছয় টাকা ১৮ পয়সা হলো নতুন প্রকল্পের প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ ট্যারিফ। অন্য দিকে আদানির ১৪ টাকা ৮৬ পয়সা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত গড় আমদানি ক্রয়মূল্য। রামপাল কয়লার ১৩ টাকা ৫৭ পয়সা হলো বিদ্যুৎ ট্যারিফ।
তাই এই তুলনাকে মূলত ইউনিট-প্রতি বিদ্যুৎ ক্রয় বা ট্যারিফের তুলনা হিসেবে দেখতে হবে; তিনটি প্রকল্পের মোট জীবনচক্র ব্যয় বা লেভেলাইজড কস্ট অব এনার্জির সরাসরি তুলনা হিসেবে নয়। বিশেষ করে সৌর প্রকল্পে ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা যুক্ত থাকায় দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারি প্রতিস্থাপন, ফবমৎধফধঃরড়হ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বাড়ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব
বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর কয়লা, এলএনজি ও জ্বালানি তেলের ওপর চাপ কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। সৌরবিদ্যুৎ এ ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম জ্বালানি ঝুঁকির একটি উৎস।
বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব নূর আহমেদ বলেন, রামপালের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সময়োপযোগী এবং দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে। তার মতে, সোনাগাজীর ২২০ মেগাওয়াট প্রকল্পের তুলনায় রামপাল প্রকল্পের আকার প্রায় দ্বিগুণ। একই সাথে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের প্রস্তাবিত মূল্য এবং প্রতি মেগাওয়াট স্থাপনের ব্যয় কম হওয়ায় প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলক কার্যকর হতে পারে।
২০৩০ সালে চাহিদা ২৯ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াবে
ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান-২০২৩ অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ২৯ হাজার ২৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। ২০৪১ সালে তা ৫৮ হাজার ৫৯৭ মেগাওয়াট এবং ২০৫০ সালে ৯৬ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াটে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য দিকে দেশে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট।
ফলে ভবিষ্যতের বাড়তি চাহিদা মেটাতে শুধু জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওপর নির্ভর না করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি-২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।
এই লক্ষ্যে রামপালের ৪৪২ মেগাওয়াট প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটির প্রকৃত অর্থনৈতিক সুফল নির্ভর করবে নির্ধারিত ব্যয়ের মধ্যে নির্মাণ শেষ করা, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে ট্যারিফ ধরে রাখা, প্রত্যাশিত উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ওপর।
সুতরাং প্রকল্পটির সাফল্য শুধু ৪৪২ মেগাওয়াট স্থাপিত সক্ষমতা দিয়ে বিচার না করে প্রকৃত বার্ষিক উৎপাদন, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ, ব্যাটারি ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত ব্যয়- এই চারটি সূচকে মূল্যায়ন করাই হবে অধিক যুক্তিসঙ্গত।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








