
বিশেষ সংবাদদাতা
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একই সাথে সৃষ্টি হয়েছে স্বস্তি ও উদ্বেগের দুই বিপরীত প্রবণতা। রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। কিন্তু ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ এক বছরে ৩০ শতাংশের বেশি বাড়ার বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে মাত্র ৪.৪৭ শতাংশ। অর্থনীতির এই বৈপরীত্য ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
ব্যাংকিং খাত ও সার্বিক আর্থিক কাঠামোতেও বর্তমানে একটি অভূতপূর্ব বৈপরীত্য দৃশ্যমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকাল প্রকাশিত তথ্য বলছে, অর্থনীতিতে ব্রড মানি বা মোট মুদ্রা সরবরাহ বেড়েছে ১১.১১ শতাংশ এবং ব্যাংক আমানত বৃদ্ধি পেয়েছে ১০.৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ, ব্যাংকিং সিস্টেমে তারল্য বা টাকার সঙ্কট আগের চেয়ে কিছুটা হালকা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের আমানত জমা রাখার প্রবণতা ধনাত্মক।
কিন্তু ব্যাংকে জমা হওয়া এই বিপুল অর্থ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি- বেসরকারি খাতে যাচ্ছে না। এক বছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৪.৪৭ শতাংশ, যা শিল্পের প্রসার ও নতুন কর্মসংস্থানের চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। বিপরীতে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের সংগৃহীত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে অস্বাভাবিক ৩০.৪৩ শতাংশ হারে।
প্রশ্ন হলো : ব্যাংকিং ব্যবস্থায় টাকা বাড়ছে, কিন্তু সেই টাকা কি অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতে যাচ্ছে নাকি কেবল রাজস্ব ব্যবধান ও বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে?
সরকারি ঋণের উত্থান : অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি?
অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫.২৬ লাখ কোটি টাকায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় লাফ দেখা গেছে সরকারি খাতের ঋণে। এক বছরে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩০.৪৩ শতাংশ, যেখানে নিট সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৪.৫১ শতাংশ।
অর্থবছরের হিসাবে দেখলে, অর্থবছর ২৬-এ সরকারি ঋণ বেড়েছে ১.৬৩ লাখ কোটি টাকা, যেখানে এর আগের অর্থবছর (অর্থবছর ২৫)-এ এই বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৬২,৩৭০ কোটি টাকা। এমনকি নতুন অর্থবছরের প্রথম ৪৬ দিনেই সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে আরো ১৪,৭৯৮ কোটি টাকা নতুন করে ঋণ নিয়েছে।
সরকারের রাজস্ব আদায় প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক নিচে পড়ে থাকায় এক বিশাল রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পরিচালন ব্যয়, বিশেষ করে অতীতে নেয়া অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের বিপুল চাপ বাজেটে নতুন স্থান সৃষ্টি করতে দিচ্ছে না। মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি ক্রয় ও প্রকল্পের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে সরকারকে কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে।
ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু বিনিয়োগ কোথায়?
ব্যাংকিং খাতে এক দিকে তারল্য বা আমানতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি রয়েছে, অন্য দিকে বেসরকারি খাতের ঋণ স্থবির হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির অর্থনৈতিক পরিভাষা হলো উচ্ছেদ প্রভাব (ঈৎড়ফিরহম ঙঁঃ ঊভভবপঃ)। যখন সরকার ব্যাংক থেকে নির্বিচারে ঋণ নিতে থাকে, তখন ব্যাংকগুলো ঝুঁকিমুক্ত ও নিশ্চিত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের ঋণ না দিয়ে সরকারকে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ঋণ দিতে পছন্দ করে। ফলে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কাক্সিক্ষত ঋণ থেকে বঞ্চিত হন।
এক বছরে সরকারি খাত এর ঋণ বেড়েছে ৩০.৪৩% আর বেসরকারি খাত এ বেড়েছে ৪.৪৭%।
কেন উদ্যোক্তা ঋণ নিচ্ছেন না?
এটি কেবল ব্যাংকের ঋণ দিতে না চাওয়ার বিষয় নয়; অর্থনীতির ‘চাহিদা পক্ষ’ ও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। উদ্যোক্তারা নতুন কোনো বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক সম্প্রসারণে আগ্রহী হচ্ছেন না কয়েকটি স্পষ্ট কারণে: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতিসুদহার বাড়ানোয় বাণিজ্যিক ঋণের খরচ অনেক বেড়ে গেছে; নীতিমালার ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির অস্থিরতা; দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার মন্দাভাব; মূলধন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণের খেয়ালখুশিমতো ব্যবস্থাপনার কারণে ঋণের প্রকৃত ব্যয় বেশি; চলমান অনেক কারখানায় বিদ্যমান সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার হচ্ছে না, ফলে নতুন ইউনিট খোলার যৌক্তিকতা কম আর গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং আমদানিকৃত কাঁচামালের চড়া দাম।
প্রশ্ন হলো মুদ্রা নীতিতে নীতিসুদ কমলেই কি বিনিয়োগ বাড়বে? এর উত্তর হলো : কেবল নীতিসুদ কমালেই বিনিয়োগে জোয়ার আসবে না। সুদের হারের পাশাপাশি বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও শাসন, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের টেকসই চাহিদা।
রাজস্বে প্রবৃদ্ধি, কিন্তু লক্ষ্যে বড় ঘাটতি
অর্থবছর ২৬-এ কর আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে ১২.০৩ শতাংশ বেশি। তবে সরকারের বিশাল বাজেটের বিপরীতে এই অর্জন আদতে পর্যাপ্ত নয়। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা : ৫.০৩ লাখ কোটি টাকা আর বাস্তবসম্মত অর্জিত আদায় : ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা। এতে লক্ষ্য অর্জনের হার দাঁড়ায় ৮২.৬%।
যদিও কর আদায় ১২.০৩% বেড়েছে, কিন্তু সরকারি ব্যয়ের গতি তার চেয়েও দ্রুত। ব্যয়ের বেশির ভাগ চলে যাচ্ছে পূর্ববর্তী ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে, ভর্তুকি ব্যবস্থাপনায় এবং প্রশাসনিক পরিচালন ব্যয়ে। রাজস্ব আদায় ও ব্যয়ের ক্ষমতার এই অনুপাত ঘাটতি পূরণ না হওয়ায় সরকারকে প্রতিনিয়ত ব্যাংকমুখী হতে হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতি কমেছে : রেমিট্যান্সে বৈদেশিক খাতে স্বস্তি
মূল্যস্ফীতি টানা উচ্চহারে থাকার পর কিছুটা নি¤œমুখী প্রবণতা দেখিয়েছে। গত জুনের ৯.১৬ শতাংশ থেকে কমে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮.৩২ শতাংশে।
মূল্যস্ফীতি কমা মানে অবশ্য পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; এর অর্থ হলো পণ্যের দাম বাড়ার গতি আগের চেয়ে কিছুটা শ্লথ হয়েছে।
নি¤œ ও মধ্যবিত্তের প্রকৃত আয় এখনো সঙ্কুচিত, কারণ মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যপণ্যের উচ্চ মূল্য স্তরে রয়ে গেছে। কঠোর মুদ্রানীতি ও বিনিময় হারের সাময়িক স্থিতিশীলতার কারণে সার্বিক সূচক কিছুটা স্বস্তি দিলেও আমদানি পণ্যের চড়া দাম বাজারে চাপ অব্যাহত রেখেছে।
বৈদেশিক মুদ্রা কাঠামোর সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক হলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের উল্লেখযোগ্য সাফল্য। মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪.৫১ বিলিয়ন ডলার আর প্রবৃদ্ধি : ২১.০৫%। ১-১৫ আগস্ট তুলনায় দেখা যায় গত বছরের ১.২৫০ বিলিয়ন ডলারের বিপরীতে এ বছর সংগৃহীত হয়েছে ১.৬৫৪ বিলিয়ন ডলার।
রেমিট্যান্স কেবল প্রবাসীদের পরিবারকে সরাসরি টিকিয়ে রাখছে না, এটি এখন বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখতে, আমদানি দায় পরিশোধ সহজ করতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন করতে এবং ব্যাংকিং খাতে নগদ তারল্য যোগাতে মূল স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।
রিজার্ভ বাড়ছে- কিন্তু রফতানি কি সেই গল্প বলছে?
২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট যেখানে রিজার্ভ ছিল ৩০.৮৪ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭.১১ বিলিয়ন ডলারে।
রিজার্ভের এই শক্তিশালী অবস্থান এসেছে মূলত রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বমুখী গতি এবং কিছু বৈদেশিক ঋণের প্রবাহের কারণে, রফতানি আয়ের মাধ্যমে নয়। ঋণ২৬-এ আমদানি প্রবৃদ্ধি যেখানে ১০.০৭ শতাংশ, সেখানে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ০.১৭ শতাংশ। অর্থাৎ রিজার্ভের ভিত্তি এখনো ভঙ্গুর এবং রফতানি না বাড়লে এই স্বস্তি দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা চ্যালেঞ্জিং হবে।
২০২৬ সালের জুলাই মাসে মোট রফতানি আয় হয়েছে ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১.০৬ শতাংশ কম। তৈরী পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি : -১.৮৮% মোট রফতানিতে পোশাক খাতের অংশ : ৮২.২৩%
রফতানি খাতের মোট আয়ের চার-পঞ্চমাংশের বেশি আসছে কেবল তৈরী পোশাক থেকে। বৈশ্বিক বাজারে পোশাকের চাহিদা কিছুটা কমলেই পুরো রফতানি খাত ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। রফতানি বহুমুখীকরণ, পোশাকের বাইরে পাদুকা, ওষুধ, কৃষিজাতপণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে নীতিগত সুবিধা দেয়া এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
আমদানি বাড়ছে : বিপদ নাকি পুনরুদ্ধারের সঙ্কেত?
অর্থবছর ২৬-এ মোট আমদানি হয়েছে ৭৫.২৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের চেয়ে ১০.০৭ শতাংশ বেশি। এই বৃদ্ধিকে অর্থনীতির দু’টি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় : ১. ইতিবাচক ব্যাখ্যা : যদি আমদানির এই বৃদ্ধি মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্যের কারণে হয়ে থাকে, তবে তা নির্দেশ করে যে কারখানাগুলো আবার চালুর চেষ্টা চলছে এবং অদূর ভবিষ্যতে উৎপাদন ও রফতানি বাড়বে।
২. উদ্বেগের ব্যাখ্যা : যদি আমদানির বড় অংশই বিলাসদ্রব্য ও নিত্যভোগ্যপণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়, তবে তা উৎপাদনশীলতা না বাড়িয়ে উল্টো বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে তুলবে।
টাকার দর : ১২৩.৫৭-এর অর্থ কী?
ইন্টারব্যাংক বা আন্তঃব্যাংক লেনদেনে বর্তমানে ডলারের বিনিময় হার ১২৩.৫৭ টাকা। টাকার এই বিনিময় হার অর্থনীতিতে দ্বিমুখী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে : যারা লাভবান হচ্ছেন :
রফতানিকারক : প্রতিটি ডলার আয়ের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রায় বেশি টাকা পাচ্ছেন। রেমিট্যান্স প্রাপক : ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠালে আগের চেয়ে বেশি টাকা পাচ্ছেন।
যাদের ওপর চাপ বাড়ছে : আমদানিকারক ও শিল্প খাত : শিল্পের কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানির খরচ বাড়ছে। জ্বালানি খাত : আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি ক্রয়ে সরকারের অতিরিক্ত স্থানীয় মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। সাধারণ ভোক্তা : আমদানিকৃত পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াচ্ছে।
সামনে বাংলাদেশের অর্থনীতির পাঁচ প্রশ্ন
১. সরকারি ঋণ কতটা বাড়তে পারে? বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকারের ব্যাংকনির্ভরতা কমাতে না পারলে ব্যাংকিং খাত কতটা চাপ সামলাতে পারবে?
২. বেসরকারি বিনিয়োগ কবে ঘুরে দাঁড়াবে? উচ্চ সুদহার ও বিনিয়োগ অনিশ্চয়তার জট কাটিয়ে বেসরকারি খাত কি চলতি অর্থবছরে ঋণের মুখ দেখবে?
৩. মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের নিচে নামবে কি? কঠোর মুদ্রানীতি ও সরবরাহ শৃঙ্খল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতিকে সহনীয় মাত্রায় আনা সম্ভব হবে কি না?
৪. রেমিট্যান্সের ওপর বৈদেশিক খাতের নির্ভরতা কতটা টেকসই? রফতানি না বাড়িয়ে কেবল রেমিট্যান্স দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে রিজার্ভ রক্ষা করা সম্ভব কি না?
৫. রফতানি কি তৈরী পোশাকনির্ভরতা থেকে বের হতে পারবে? অ-পোশাক খাতগুলোকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে কার্যকরী নীতি পদক্ষেপ কবে আসবে?
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন সঙ্কট থেকে স্থিতিশীলতার দিকে ফিরছে- কিন্তু স্থিতিশীলতা থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধিতে যেতে হলে সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটি হবে সরকারি ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ ও উৎপাদনকে আবার অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








