২১০৬ কোটি টাকার সার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত

বিশেষ সংবাদদাতা

Advertisement

দেশের কৃষিখাতে সারের চাহিদা মেটাতে দুই লাখ ৬০ হাজার টন ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার সংগ্রহের একটি বড় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ১০৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তিনটি এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রস্তাব রয়েছে।
সার কেনা ও আমদানির বিস্তারিত তথ্য 
কাফকো (বাংলাদেশ) থেকে ইউরিয়া : কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের তৃতীয় লটে ৩০ হাজার টন দানাদার ইউরিয়া সার কেনা হবে। প্রতি টন ৪৩৮.১২৫ মার্কিন ডলার হিসেবে এতে খরচ হবে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
সৌদি আরব (সাবিক) থেকে ইউরিয়া : সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৬ষ্ঠ লটে ৪০ হাজার টন বাল্ক দানাদার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতি টন ৪৬৩.১৭ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ফার্টিগ্লোব) থেকে ইউরিয়া : ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে প্রথম লটে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার সিএফআর (ঈঋজ) শর্তে আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ২৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
মরক্কো (ওসিপি) থেকে ডিএপি সার : মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম লটে ৪০ হাজার টন করে মোট ৮০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। প্রতি টন ৮৭৭ মার্কিন ডলার হিসেবে এই দুই লটে মোট খরচ হবে ৮৬৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
মরক্কো (ওসিপি) থেকে টিএসপি সার : একই প্রতিষ্ঠান থেকে ৮ম ও ৯ম লটে মোট ৭০ হাজার টন টিএসপি সার কেনা হবে। প্রতি টন ৬৬৭.৬৭ মার্কিন ডলার হিসাবে টাকা ব্যয় হবে।বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন  এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মাধ্যমে এই সার ক্রয় ও আমদানি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।
ই-জিপি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রণাবেণে ৪২ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগ
এ দিকে সরকারি ক্রয় কার্যক্রমকে আরো আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে ই-জিপি ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচালনা ও রণাবেণে মন্ত্রিসভা কমিটি এক বছরের জন্য ৪২ কোটি ১৮ লাখ ৭১ হাজার ৬০৪ টাকা ব্যয়ে ‘দোহাটেক নিউ মিডিয়া’কে এই কাজের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।