
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পূর্ববিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পরে মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগর (৫৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পরে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল বিকেলে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরইকুড়ি গ্রামে পটল গ্রুপ ও আজা মেম্বর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। নিহত গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগর চরইকুড়ি গ্রামের মৃত দৈয়ব মন্ডলের ছেলে। তিনি পটল গ্রুপের প্রধানের ভাই।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে পটল গ্রুপ ও আজা মেম্বর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে উভয় পরে লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আজা মেম্বরের পরে লোকজন গোলাম মোস্তফা ওরফে টেংগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় উভয় পরে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে পটল (৭০), শুভ (৩৬), শাহ জামাল (৪০), আজা মেম্বর (৬০) ও বুলবুলসহ অন্যদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ববিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পরে সংঘর্ষে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








