
রয়টার্স
ইয়েমেনে হাউছিদের সাথে ক্রমবর্ধমান সঙ্ঘাত এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের শীর্ষ কূটনীতিকরা। ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ অংশ নেন। সোমবার এই আলোচনা এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্ঘাত অষ্টম মাসে প্রবেশ করেছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের নানা বার্তা আদান-প্রদান সত্ত্বেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কার্যত স্থবির হয়ে রয়েছে।
এই সঙ্ঘাতের প্রভাব ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ইরান-সমর্থিত হাউছিরা লোহিত সাগর উপকূলে আক্রমণ পরিচালনা করছে এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে রুবিও জানান, তারা ইরান, গাজা, সুদান ও ইয়েমেনসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, দুই কূটনীতিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অগ্রগতি, ইয়েমেন পরিস্থিতি এবং তা মোকাবেলায় চলমান প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া তারা হরমুজ প্রণালী ও ইয়েমেন উপকূলের বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে নৌচলাচলের নিরাপত্তা এবং অবাধ যাতায়াতের স্বাধীনতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বার্তা সংস্থাটির মতে, এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যের ধারাবাহিক প্রবাহ বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে। উভয় মন্ত্রী আঞ্চলিক সঙ্কট নিরসনে ধারাবাহিক কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপরও জোর দেন।
ইয়েমেনে হাউছিদের বিরুদ্ধে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন সামরিক সহায়তা চেয়েছিলেন বলে মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ওয়াশিংটন সরাসরি হামলা চালাতে অস্বীকৃতি জানালেও গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। এ দিকে মার্ক রুবিও লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথেও পৃথক বৈঠক করেছেন।









