
দিল্লির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তাপের দিকে তাকালে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ঢাকার রাজপথের সেই স্মৃতি ফিরে আসে। প্রশ্ন জাগে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে কি আরেকটি ঐতিহাসিক পালাবদলের পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে? নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের ক্ষমতার বলয় কি এবার তরুণদের ক্ষোভ, নাগরিকের ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্ক এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহির প্রশ্নে পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবর, রাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিতর্ক এবং প্রশাসনের ভূমিকা ঘিরে জনমনে তৈরি হচ্ছে নানা জিজ্ঞাসা। এক দিকে ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের দঢ় অবস্থান, অন্য দিকে নিজেদের অধিকার, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন তরুণ প্রজন্ম, এই দুইয়ের সঙ্ঘাত ভারতীয় গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সামনে এনেছে। আন্দোলনের উত্তাপ কতটা সহ্য করতে পারে রাষ্ট্র, আর রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আস্থা কতটা অটুট রয়েছে, সেই প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
ঢাকার অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে, কোনো আন্দোলনের সূচনা আর তার পরিণতি সবসময় একবিন্দুতে থাকে না। একটি নির্দিষ্ট দাবি থেকে শুরু হওয়া প্রতিবাদও শাসকের ঔদ্ধত্য, দমন-পীড়ন কিংবা জবাবদিহির অভাবে বৃহত্তর রাজনৈতিক অসন্তোষে রূপ নিতে পারে। তরুণদের প্রত্যাশা অবজ্ঞা করা, নাগরিকের ন্যায্য প্রশ্নকে ষড়যন্ত্রের তকমা দেয়া কিংবা বিরোধী মতকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা— এসবের পরিণতি কখনো শাসকের নিজের হিসাবও উল্টে দেয়। তাই দিল্লির পরিস্থিতিকে কেবল সাময়িক রাজনৈতিক উত্তেজনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; একই সাথে যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বুঝতে হবে, সেখানে আসলে কী ঘটছে, কারা আন্দোলন করছে এবং তাদের দাবির প্রতি রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে ক্ষমতার স্থায়িত্ব আর জনগণের আস্থার সম্পর্ক বারবার নতুন করে সামনে এসেছে। শ্রীলঙ্কায় গণবিক্ষোভ, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে চলমান বিতর্ক আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতা কোনো শাসকের স্থায়ী সম্পত্তি নয়। নির্বাচন, সংবিধান, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, মুক্ত গণমাধ্যম এবং নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকারই গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হলে ক্ষমতার বাহ্যিক দৃঢ়তার আড়ালেও সঙ্কট জমতে থাকে।
২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির নেতৃত্বে তরুণদের একটি আন্দোলন এবং বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর অংশগ্রহণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের কর্মসূচি নেয়া হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তালিকা সংশোধনকে নিয়মিত যাচাইপ্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি করছে।
বিক্ষোভের আগে থেকেই দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন ও বাস সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়। ইন্টারনেটও বন্ধ করা হয়। ১০ অক্টোবরের আগে থেকে এখনো গণগ্রেফতার চলছে বলে জানা যাচ্ছে। আন্দোলনের সংগঠক, ছাত্রনেতা, রাজনৈতিক কর্মী ও বিভিন্ন বিরোধী দলের হাজারও নেতাকে আটকের করার খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
বিক্ষোভে সহিংসতার আশঙ্কা থাকলে প্রশাসনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার রয়েছে; কিন্তু সেই ব্যবস্থা যদি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, সংবাদ সংগ্রহ কিংবা নাগরিকের স্বাভাবিক চলাচলের পথও অযৌক্তিকভাবে সঙ্কুচিত করে, তবে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিরাপত্তার যুক্তি যেন নাগরিক অধিকার খর্ব করার স্থায়ী অজুহাতে পরিণত না হয়।
এই আন্দোলনের বিশেষত্ব শুধু এর রাজনৈতিক দাবিতে নয়, এর প্রতীকী পরিচয়েও। ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা নামটি এসেছে তরুণদের প্রতি অবমাননাকর ভাষা ব্যবহারের প্রতিবাদ থেকে। ভারতের জাতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-সংক্রান্ত প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষাব্যবস্থার অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিবাদের বিস্তার ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। শিক্ষাব্যবস্থার জবাবদিহি, পরীক্ষার স্বচ্ছতা এবং তরুণদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়ে শুরু হওয়া অসন্তোষ ধীরে ধীরে বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রশ্নে গড়ায়। আন্দোলনের চাপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনাও এই ধারাবাহিকতার অংশ।
তবে একজন মন্ত্রীর পদত্যাগই যে সমস্যার সমাধান, তা নয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, তদন্তের স্বচ্ছতা, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা না গেলে একই ধরনের অসন্তোষ আবারো ফিরে আসতে পারে।
এখানেই বাংলাদেশের ২০২৪ সালের আন্দোলনের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য দেখা যায়। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি থেকে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তা দ্রুত বৃহত্তর রাজনৈতিক অসন্তোষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া এবং সঙ্ঘাতের তীব্রতা আন্দোলনের চরিত্র বদলে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ এক করে দেখা যুক্তিসঙ্গত হবে না। দুই দেশের রাজনৈতিক কাঠামো, নির্বাচনব্যবস্থা, সামাজিক বাস্তবতা, বিরোধী দলগুলোর অবস্থান এবং আন্দোলনের ইতিহাস আলাদা। বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থান একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছে। ভারতের বর্তমান আন্দোলনও নিজস্ব রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। তাই ঢাকার অভিজ্ঞতা দিল্লির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সতর্কতামূলক শিক্ষা দিতে পারে; কিন্তু তা থেকে ভারতের সরকারের পতন অবধারিত— এমন সিদ্ধান্ত টানা যায় না।
দিল্লির সাম্প্রতিক আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার-নাম বাদ পড়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এই বিতর্কের সমাধান রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি নির্ভর করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর। কতজনের নাম বাদ পড়েছে, তাদের মধ্যে কতজন মৃত, কতজন স্থানান্তরিত এবং কতজন জীবিত ও যোগ্য ভোটার— এসব তথ্য পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা জরুরি। যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের আপিল ও পুনর্বহালের কার্যকর সুযোগ দিতে হবে। নাগরিকের মনে যদি প্রশ্ন জাগে যে, তার ভোট আদৌ গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হবে কি না, তবে রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। ভারতের মতো বিশাল ও বৈচিত্র্যময় গণতন্ত্রে এই প্রশ্নের গুরুত্ব আরো বেশি। নির্বাচন কমিশনের উচিত অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক বিরোধিতা বলে উড়িয়ে না দিয়ে তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা দেয়া এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্ত ও সংশোধনের সুযোগ রাখা।
২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন।
তার নেতৃত্বে বিজেপি একাধিক নির্বাচনে সাফল্য পেয়েছে, জাতীয় রাজনীতিতে দলটির প্রভাব বিস্তৃত হয়েছে এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো দেশটির অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা কোনো সরকারের জন্যই জনসমর্থনকে স্থায়ী বলে ধরে নেয়া নিরাপদ নয়। সময়ের সাথে সাথে কর্মসংস্থান, শিক্ষার সুযোগ, মূল্যস্ফীতি, সামাজিক সম্প্রীতি, নাগরিক স্বাধীনতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির প্রশ্ন আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ এই রাজনৈতিক পরীক্ষার একটি বড় অংশ। ভারতের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয় নয়; এগুলো সামাজিক মর্যাদা, আত্মনির্ভরতা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ কিংবা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা তাদের মনে এই ধারণা তৈরি করতে পারে যে, পরিশ্রম ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। এই অনুভূতি যখন বৃহত্তর রাজনৈতিক অবিশ্বাসের সাথে যুক্ত হয়, তখন অসন্তোষের পরিধি দ্রুত বাড়তে পারে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিচারব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যেন ভয় বা বাধা ছাড়াই ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, আটক ব্যক্তিরা যেন আইনগত সহায়তা পান এবং আদালত যেন প্রতিটি অভিযোগের বিচার স্বাধীনভাবে করতে পারেন— এসবই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক শর্ত।
সরকারের সমালোচনা করা রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়; বরং ভুল সংশোধন এবং নীতির উন্নয়নের জন্য সমালোচনা অনেকসময় অপরিহার্য।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। ভোটাধিকার, নাগরিক স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে না পারলে আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আন্দোলনের নেতৃত্বকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, তথ্যের নির্ভুলতা এবং সহিংসতা পরিহারের নীতিতে অটল থাকতে হবে। একই সাথে সরকারের উচিত বিরোধী দলের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইন সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা। গণতন্ত্রের শক্তি কোনো একটি পক্ষের নিরঙ্কুশ বিজয়ে নয়; বরং ভিন্নমতের সহাবস্থান ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধায়।
দিল্লির বর্তমান পরিস্থিতিতে মোদি সরকারের সামনে মূলত দু’টি পথ রয়েছে। প্রথমত, অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয়ত, বিরোধিতাকে প্রধানত নিরাপত্তার সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করা। দ্বিতীয় পথ সাময়িকভাবে রাজপথের দৃশ্যমান উত্তেজনা কমাতে পারে; কিন্তু অভিযোগের মূল কারণ অমীমাংসিত থাকলে অসন্তোষ আরো গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সুতরাং ঢাকা থেকে কলম্বো, নাইরোবি থেকে কাঠমান্ডু— ইতিহাসের শিক্ষা অত্যন্ত নির্মম ও সত্য। যখন তরুণ সমাজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে এবং নিজেদের অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ে রাজপথে নেমে আসে, তখন বন্দুকের গুলি কিংবা প্রশাসনিক দমননীতি দিয়ে তাদের আটকানো যায় না। দিল্লির শাসকগোষ্ঠী যদি রাজপথের দেয়াল লিখন পড়তে ব্যর্থ হয়, তবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশটিতে জেন-জি তরঙ্গের ধাক্কায় মোদি সরকারের সামনেও একটি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানই হয়তো অপেক্ষা করছে!
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
ahabibhme@gmail.com
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








