
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করবে সরকার।
তিনি বলেন, আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামী দিনে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এবং দেশ গড়ে তুলতে পারবে। এজন্য শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিল্পকলার সাথেও সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-২৭’ (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এ ১৬ লাখের বেশি শিশু-কিশোরের নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণই প্রমাণ করে, সুযোগ পেলে তারা নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে পারে।
এর আগে, বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। একইসাথে অনলাইনে সারাদেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সাথে ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরিবেশনা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া চীনা শিক্ষার্থীদের পরিবেশনাও উপভোগ করেন তিনি।
স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেই প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদদের কাছে এগিয়ে যান। তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে হাজার হাজার শিশু-কিশোর। তারা করতালি ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানায়। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এ সময় স্টেডিয়ামজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রধানমন্ত্রী খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে যান। সেখানে তিনি পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করে মাঠের চারপাশে জড়ো হওয়া সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সাথে হাত মেলান। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে খুলনা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এবারের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সারাদেশ থেকে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। আগের আটটি ইভেন্টের সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার প্রথম আসর গত ২ মে সিলেটে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








