
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে অব্যাহত হামলার প্রেক্ষাপটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে রিয়াদ ও দাম্মামগামী সকল ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছে। একইসাথে, ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিকল্প রুটে অতিরিক্ত আসন বা সক্ষমতার ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি।
বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় ও তারিখ অনুযায়ী, এই স্থগিতাদেশ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বিমান জানিয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে স্থগিত ফ্লাইটগুলো পুনরায় চালু করা বা সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত যথাসময়ে জানিয়ে দেয়া হবে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে, যেসব যাত্রী জরুরি প্রয়োজনে সৌদি আরবে যেতে চান বা সেখান থেকে বাংলাদেশে ফিরতে চান, তাদের জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে বিকল্প পথে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছে বিমান।
যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে, মদিনা রুটে বর্তমানে ব্যবহৃত বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের পরিবর্তে বড় আকারের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ মোতায়েন করেছে বিমান।
উড়োজাহাজ পরিবর্তনের ফলে প্রতিটি ফ্লাইটে ১৪৮টি আসন বেড়েছে, যার মাধ্যমে রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত হওয়ার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত আরো বেশিসংখ্যক যাত্রীকে সেবা দেয়া সম্ভব হবে।
এছাড়া, আটকাপড়া ও ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ বাড়াতে জেদ্দা রুটে তিনটি অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে বিমান।
সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফ্লাইট ও বর্ধিত আসন সংখ্যা বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট যাত্রীদের চাপ কমাতে এবং বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে যাতায়াত সহজতর করতে সহায়তা করবে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে বারবার হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। এসব হামলার ফলে ফ্লাইট কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং বাংলাদেশী প্রবাসী কর্মীসহ আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মধ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিমান জানিয়েছে যে, যাত্রীদের নিরাপত্তাই তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিরাপত্তা পরিস্থিতির আলোকে ক্ষতিগ্রস্ত গন্তব্যগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।
রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইটের টিকিটধারী যাত্রীদের টিকিট সংক্রান্ত তথ্য, বিকল্প ভ্রমণ ব্যবস্থা এবং ফ্লাইটের হালনাগাদ সময়সূচি জানার জন্য নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিক্রয় কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এয়ারলাইনস আরো জানিয়েছে, প্রয়োজনে পরবর্তী আপডেট জানিয়ে দেয়া হবে। বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








