বিশ্ব ডাক দিবস, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন
বিশ্ব ডাক দিবস। এআই প্রযুক্তিতে তৈরি প্রতীকী ছবি

স্মার্ট ডাকসেবার প্রত্যয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬’। এ উপলক্ষ্যে সারাদেশে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ডাক অধিদফতর।

Advertisement

শুক্রবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ ডাক ভবনে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে ডাক অধিদফতরের উদ্যোগে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’।

অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।

এদিকে বিশ্ব ডাক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ এবং আগামীকাল ডাক বিভাগের সকল পর্যায়ের কার্যালয়ে (সঞ্চয় ব্যাংক কার্যক্রম ব্যতীত) সাধারণ ডাকসেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেইসাথে আজ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’ পালিত হচ্ছে।

ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডাকসেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিশেষ চিঠি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী ও ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দেয়াই এসব কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

বর্তমানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ঐতিহ্যবাহী ডাকসেবার পাশাপাশি একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও জনবান্ধব লজিস্টিকস সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডাক ব্যবস্থার অবদান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হয়। ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে ১৯৬৯ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে এ দিনটিকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সূত্র : বাসস