
পারিবারিক কলহের পুরোনো ঘটনাকে অপহরণ ও ধর্ষণ দাবি করে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ‘উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর নির্যাতন! নির্যাতিত চরম বিপদগ্রস্ত মেয়েটি লাইভে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন!’-এমন শিরোনামে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি এক নারীকে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণ কিংবা ধর্ষণের পর নির্যাতনের কোনো ঘটনার নয়।
প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক নারীর ফেসবুক লাইভের। শশুর বাড়িতে কলহের জেরে এই নারী নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করেন বলে তিনি বাংলাফ্যাক্টকে জানিয়েছিলেন।
একই দাবিতে ভিডিওটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসেও ছড়ানো হয়েছিল। সেই সময় ভিডিওটি নিয়ে বিস্তারিত ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাফ্যাক্ট।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবির ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট। সূত্র : বাসস







