
ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানাকে ইউনিসেফ ইন্ডিয়া পরিবারের নতুন সদস্য হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার। শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাটির নতুন সেলিব্রিটি অ্যাডভোকেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মান্ধানা। ব্যস্ত একটি সপ্তাহে এই দায়িত্ব যুক্ত হলো ভারতীয় ব্যাটারের জীবনে।
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে গত রোববার ইউনিসেফ ইন্ডিয়া মান্ধানার নিয়োগের ঘোষণা দেয়। নতুন দায়িত্বে তিনি শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগকে সমর্থন করবেন। তবে কিশোরীদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে
টেন্ডুলকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ইউনিসেফ ইন্ডিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাগত! মাঠে তুমি লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করো। আমার বিশ্বাস, মাঠের বাইরেও তুমি শিশুদের অধিকারের পক্ষে অসাধারণ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে।’
ভারতের সাবেক অধিনায়ক টেন্ডুলকার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউনিসেফের সাথে যুক্ত। ২০০৩ সাল থেকে তিনি সংস্থাটির বিভিন্ন উদ্যোগকে সমর্থন করে আসছেন। ২০১৩ সালে তাকে দক্ষিণ এশিয়ায় ইউনিসেফের আঞ্চলিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পোলিও প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নয়নের মতো বিষয়েও তিনি প্রচারাভিযানে অংশ নিয়েছেন।
ভারতের নারী ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে মান্ধানার নাম ঘোষণার কয়েক দিন পরই ইউনিসেফে তার এই নিয়োগ এলো। তিনি হারমানপ্রিত কৌরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
২০১৩ সাল থেকে ভারতের হয়ে খেলা বাঁহাতি ব্যাটার মান্ধানার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। তার নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু নারী প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) দুটি শিরোপা জিতেছে।
ইউনিসেফ ইন্ডিয়ার সাথে যুক্ত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন মান্ধানা। ক্রিকেটে তার পথচলা তাকে সুযোগ ও উৎসাহের গুরুত্ব বুঝতে শিখিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মান্ধানা বলেন, ‘প্রতিটি শিশু ও তরুণেরই বড় স্বপ্ন দেখার এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকশিত করার সুযোগ পাওয়া উচিত।’
নতুন দায়িত্বে মান্ধানা নিজের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মেয়েদের খেলাধুলায় অংশ নিতে, নিজেদের লক্ষ্য অনুসরণ করতে এবং খেলাধুলা ও নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পেতে উৎসাহিত করবেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








