
নিজস্ব প্রতিবেদক
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, আমরা একটি ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে কাজ করছি। যেখানে বিভিন্ন শ্রেণীর প্রায় এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ ও গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্পদকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এনে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আমরা কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলারও পরিকল্পনা করছি।
গতকাল ঢাকায় তিন দিনের ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। মেলায় ১০টি দেশের ২০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অংশ নিচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো, সেবা, বিনোদন এবং বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন পর্যটন নীতিমালায় বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের (চচচ) ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন দেশের স্টল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: সামীমুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলালসহ নেপাল, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ এবং শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।







