
গণভোটের গণরায় উপেক্ষা ও সংস্কার পরিষদের শপথ না নেয়া জাতির সাথে প্রতারণার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি। তিনি বলেন, জনগণের সাথে করা ওয়াদা পূরণ না করায় ১১ দলীয় ঐক্য লংমার্চ করতে বাধ্য হচ্ছে। সরকার দাবি মেনে নিলে লংমার্চের প্রয়োজন হবে না।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের কাউন্সিল হলে ঢাকা-যশোর-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ এ সভার আয়োজন করে।
এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা এবং তেল, গ্যাস, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার কারণে জাতির প্রয়োজনে আট দফা দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করতে হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে যশোর, খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি। পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও আবদুর রব। আরো বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আট দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
আগের লংমার্চগুলোতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মানুষের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের কর্মসূচিতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসছে। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রেখে দাবি আদায়ে আপসহীন ভূমিকা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
লংমার্চের আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সঙ্কট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








