
ফুসফুসের ক্যানসারের অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন পোপ চতুর্দশ লিও। এ সময় ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে রাশিয়ার দখলে থাকা একটি শহরে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, পোপ চতুর্দশ লিও খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরের গুরুতর মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেয়া এবং বেসামরিক নাগরিকদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সুযোগ দিতে তিনি যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ভ্যাটিকানের আকস্মিক এ ঘোষণায় বোঝা যায়, ডান ফুসফুস থেকে ক্যানসার আক্রান্ত টিউমার অপসারণের অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যেও পোপ তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
গত মঙ্গলবার তার ওই অস্ত্রোপচার করা হয়।
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের ওলেশকি শহরের বাসিন্দারা ক্রমেই ভয়াবহ মানবিক সঙ্কটের মুখে পড়ছেন। রুশ ও ইউক্রেনীয় সেনাদের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে পড়ে শহরটিতে খাদ্য ও ওষুধের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক শুক্রবার শহরটির পরিস্থিতিকে ‘মরিয়া অবস্থার’ সাথে তুলনা করেন। বেসামরিক নাগরিকদের শহরটি থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সুযোগ দিতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ক্রেমলিনের এক বিবৃতিতে পুতিন ও পোপের ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে বলা হয়, ওলেশকির কঠিন মানবিক পরিস্থিতির জন্য ‘কিয়েভের শাসকগোষ্ঠীর দায়দায়িত্ব’ সম্পর্কে পুতিন বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
ক্রেমলিন আরো জানায়, পুতিন পোপের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। পাশাপাশি অভিন্ন আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রসারে রাশিয়া ও ভ্যাটিকানের সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
সূত্র : বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








