
দুই মৌসুম পর কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে ফিরছে কেন্ট। শেষ রাউন্ডে তাদের প্রমোশন নিশ্চিত হয়ে যায় নর্থ্যাম্পটনশায়ারের হারের পরই। এরপর নিজেদের শেষ ম্যাচটা জিতে প্রত্যাবর্তনের উপলক্ষ রাঙায় কেন্ট।
শনিবার লর্ডসে মিডলসেক্সের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ১৯১ পয়েন্টে মৌসুম শেষ করে নর্থ্যাম্পটনশায়ার। তাতে দ্বিতীয় স্থানে থাকা কেন্টের শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হয়ে যায়। ডারহাম হয়েছে চ্যাম্পিয়ন, কেন্ট পেয়েছে দ্বিতীয় প্রমোশন স্পট।
অন্যদিকে নিজেদের শেষ ম্যাচে গ্লস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ডিভিশন টুর শেষ করেছে কেন্ট। এই জয়ে তাদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৯৮। ১৪ ম্যাচে ১৯৮ পয়েন্ট নিয়ে ডারহামের পর দ্বিতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে তারা।
কেন্টের এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। মৌসুমের শেষ দিকে কেন্টের হয়ে খেলেছেন তারা দুজনই। চার ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে হাসান দলের বোলিং আক্রমণে বড় অবদান রাখেন।
কাউন্টি অভিষেকেই ৯ উইকেট নিয়ে কেন্টকে জেতান তিনি। হাসানের খেলা চার ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছে কেন্ট। ডিভিশন টু-তে অন্তত ২০ উইকেট নেয়া বোলারদের মধ্যে তার বোলিং গড় ছিল ১৫.৭৬।
প্রতি ২৯.২৬ ডেলিভারিতে একটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১০টির বেশি উইকেট নেয়া বোলারদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেটও ছিল সেরা। তবে শেষ দুই রাউন্ডে খেলতে পারেননি তিনি।
হাসানকে দেশে ফিরিয়ে নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুরুতে অনাপত্তিপত্র দেয়া হলেও এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি ও সামনে থাকা ব্যস্ত সূচির কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত বদলায় বিসিবি।
হাসানের পর কেন্টের হয়ে যোগ দেন খালেদ। তিন ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়ে তিনিও দলের প্রমোশন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন বাংলাদেশের এই পেসার।
শেষ ম্যাচে গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষেও বল হাতে অবদান রাখেন খালেদ। তার বোলিংয়ে কেন্ট ম্যাচটি জিতে নেয় ৮ উইকেটে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের দুই পেসারের পারফরম্যান্স কেন্টের দুই মৌসুম পর ডিভিশন ওয়ানে ফেরার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
গত মৌসুমে ডিভিশন টু-তে সবার নিচে থেকে শেষ করেছিল কেন্ট। এবার ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় হয়ে শীর্ষ বিভাগে ফিরল তারা।








